বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সচিবালয়ে গতকাল মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ডিজিটাল কমার্স সেলের প্রধান এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠক থেকে এমন সিদ্ধান্ত এসেছে। বৈঠকে আইন মন্ত্রণালয়, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), বাংলাদেশ ব্যাংক, কিউকম ও ফস্টারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিফ করা হয়নি। তবে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ফস্টারের কাছে কিউকমের ৩৯৭ কোটি টাকা আটকে আছে, এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক টাকার বিপরীতে গ্রাহকদের কাছে পণ্য সরবরাহ করা হয়নি।

বৈঠক থেকে সিদ্ধান্ত এসেছে, ১০ জানুয়ারির মধ্যে পাওনাদারদের তালিকা তৈরি করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাবে কিউকম ও ফস্টার। এরপর পাওনা ফেরত দেওয়ার উপায় বের হবে, যদি কোনো আইনি জটিলতা না থাকে। এ জন্য আইন মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক মতামতও নেওয়া হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, কিউকমের গ্রাহকদের অর্থ ফেরতের উদ্যোগ হিসেবে এ বৈঠক হলো। একটি তালিকা দিতে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। সেটা হাতে পেলে পরের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

যেহেতু কিউকম ও ফস্টারের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে, সেহেতু পাওনা ফেরতে আইনি জটিলতা দেখা দিলে আদালতের নির্দেশনা চাওয়া হবে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন