বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ধর্মঘটের প্রভাবে গতকাল বন্দর ছেড়ে যেতে পারেনি তিনটি কনটেইনার জাহাজ। এই তিনটিসহ আজ সোমবার সাতটি কনটেইনার জাহাজ বন্দর ছেড়ে যাওয়ার সময়সূচি রয়েছে। রপ্তানি কনটেইনার না পেলেও এসব জাহাজের কয়েকটি বন্দর ছেড়ে যেতে পারে বলে বন্দর ও শিপিং এজেন্টের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বন্দরের তথ্যানুযায়ী, সমুদ্রপথে রপ্তানি কনটেইনারের ৯৮ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয়। প্রতিদিন এ বন্দর দিয়ে গড়ে ১ হাজার ৯০০ কনটেইনার পণ্য বিদেশে পাঠানো হয়। এক দিনের দেরি হওয়ার অর্থ হচ্ছে, এসব রপ্তানি পণ্যের স্তূপ জমে যাওয়া। গত জুলাই মাসের শুরুতে বেসরকারি কনটেইনার ডিপোগুলোতে রপ্তানি পণ্যের জটে পড়ে রপ্তানি পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। ধর্মঘট অব্যাহত থাকলে এবারও সেদিকে যাওয়ার শঙ্কার কথা জানিয়েছেন পোশাকশিল্পের মালিকেরা।

জানতে চাইলে পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, পরিবহন ধর্মঘটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তৈরি পোশাক রপ্তানি। ধর্মঘটে পোশাক খাতের কাঁচামাল যেমন কারখানায় যাচ্ছে না, তেমনি কারখানায় প্রস্তুত হওয়া পোশাক ডিপো বা বন্দরে নেওয়া যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানান তিনি।

ধর্মঘটের কারণে রপ্তানির পাশাপাশি আমদানি করা কাঁচামালও খালাস করা যাচ্ছে না।

গতকাল বন্দরে ৩৮ হাজার ৭৮৩ কনটেইনার এবং বেসরকারি ডিপোগুলোতে ৮ হাজার ৪০০ কনটেইনার আমদানি পণ্য খালাসের অপেক্ষায় ছিল। প্রতিদিন গড়ে সাড়ে তিন হাজার কনটেইনার পণ্য খালাস হয়। সেখানে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আমদানিকারকেরা খালাস করতে পেরেছেন ৩২৯ কনটেইনার পণ্য। খালাস করে এসব পণ্য কারখানায় নেওয়া সম্ভব হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

জানতে চাইলে বন্দর সচিব ওমর ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক না হলে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখা যাবে না। ধর্মঘটের কারণে এখন ডিপো থেকে রপ্তানি পণ্য বন্দরে আনা যাচ্ছে না। আবার বন্দর থেকে আমদানি পণ্যও সেভাবে খালাস করতে পারছেন না ব্যবসায়ীরা।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন