বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগ গত বৃহস্পতিবার এই প্রজ্ঞাপন জারি করে। এতে বলা হয়েছে, যাঁরা প্রথম দফায় ঋণ নিয়েছেন, এই দফায় ঋণ নিতে তাঁদের বাড়তি জামানত দিতে হবে না। আগের জামানতের মূল্য বেশি থাকলে তার বিপরীতে ঋণ দেওয়া যাবে। এ জন্য আইনজীবীর মাধ্যমে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে গ্রাহক থেকে লিখিত নিতে হবে।

প্রথম দফায় প্রণোদনার ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের মধ্যে ৭৭ শতাংশ বিতরণ হয়। করোনার প্রকোপ শুরু হলে গত বছরের এপ্রিলে ক্ষতিগ্রস্ত কুটির, ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের চলতি মূলধন সুবিধার জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন করা হয়। ক্ষুদ্র ও ছোট উদ্যোক্তারা যাতে ঋণ পান, সে জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিলের বিপরীতে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন তহবিলও গঠন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপরও ছোট উদ্যোক্তারা করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ব্যবসায় ফিরতে চাহিদামতো ঋণ পাচ্ছেন না।

ব্যাংকার ও উদ্যোক্তারা বলছেন, আগে যাঁরা ব্যাংকঋণ সুবিধা নিয়েছেন বা ব্যাংকের সঙ্গে যেসব উদ্যোক্তার সম্পর্ক রয়েছে, শুধু তাঁরাই কম সুদে প্রণোদনার ঋণ পাচ্ছেন। কিন্তু দেশে এমন অনেক ছোট উদ্যোক্তা রয়েছেন, যাঁদের ব্যাংক হিসাবই নেই। এ জন্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি পর্যায়ের সব উদ্যোক্তা ঋণ পাচ্ছেন না। ফলে সবার ঋণের চাহিদা পূরণও হচ্ছে না। উদ্যোক্তারা বলছেন, করোনা ছোট, বড় সব উদ্যোক্তাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিন্তু প্রণোদনার সুবিধা বেশি পাচ্ছেন বড় উদ্যোক্তারা।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন