বিজ্ঞাপন

গত ২০২০ সালে বাংলাদেশে মোট ২ হাজার ১৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ বাংলাদেশে এসেছে। করোনার মধ্যেও তখনপ্রবাসী আয়ে ১৮ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়। আর বর্তমানে প্রবাসী আয় পাঠানোয় পুরো বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম। এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের ওপরে আছে কেবল ভারত ও পাকিস্তান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবাসী আয় দক্ষিণ এশিয়ার গরিব পরিবারগুলোর দারিদ্র্যসীমার ওপরে ওঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সঞ্চয় দেশে পাঠানো

করোনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে প্রবাসী শ্রমিকদের কাজের সুযোগ কমেছে। ফলে প্রবাসে বহু শ্রমিক চাকরি হারিয়ে দেশে ফিরে এসেছেন। তাঁরা নিজেদের সঞ্চয় দেশে নিয়ে এসেছেন।

বৈধ উপায়ে অর্থ প্রেরণ

করোনাকালে বৈধ উপায়ে প্রবাসীরা বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন। ভ্রমণনিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে অনেক প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরতে পারেননি। এতে বন্ধুবান্ধবের মাধ্যমে দেশে অর্থ প্রেরণের সুযোগও কমে যায়। তাই বৈধ উপায়ে দেশে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বেড়েছে।

পরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীলতা

করোনার সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রবাসী শ্রমিকদের দেশে থাকা পরিবারগুলো নানা সমস্যায় পড়েছে। তাই পরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে তাঁরা দেশে আগের চেয়ে বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন।

নতুন নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন

প্রবাসী আয় দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রতিনিয়তই নতুন নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবিত হচ্ছে। নানা ধরনের আর্থিক চ্যানেল তৈরি হয়েছে। জিপে ও আলিপের মতো অর্থ প্রেরণের অ্যাপস এসেছে। ফলে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রবাসী আয় পাঠানো সহজ হয়েছে।

কর ছাড়

কর ছাড় বা আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠানোকে উৎসাহিত করেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী আয় পাঠালে ২ শতাংশ হারে প্রণোদনা দেওয়া হয়।

বড় দেশের প্রণোদনা অর্থ

করোনাকালে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলো নানা ধরনের আর্থিক প্রণোদনা দিয়েছে। সেই প্রণোদনার অর্থের কিছুটা অংশ দক্ষিণ এশিয়ার প্রবাসী শ্রমিকেরাও পেয়েছেন। সেটা অনেকেই দেশে নিজেদের পরিবারের কাছে পাঠিয়েছেন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন