default-image

নিজের ফ্ল্যাটের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য আমরা কত কিছুই না করি। ফ্ল্যাটের প্রতিটি ঘরের গৃহসজ্জা দৃষ্টিনন্দন করার জন্য পেশাদারি প্রতিষ্ঠানও আছে এই শহরে। এসব প্রতিষ্ঠান ফ্ল্যাটের ইন্টেরিয়র বা অন্দরমহলের নন্দনশৈলী বাড়াতে কাজ করে থাকে। টাকার বিনিময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এই সেবা নিতে হয়। কিন্তু এমন একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এবার ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

রাজধানীর বনানীর চারুতা প্রাইভেট লিমিডেট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আজ সোমবার এই মামলা করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ ৩০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ভ্যাট ফাঁকির সুনির্দিষ্ট অভিযোগে থাকায় ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফেরদৌসী মাহবুবের নেতৃত্বে একটি দল সম্প্রতি চারুতার ২০১২-২০১৩ থেকে ২০১৬-২০১৭ মেয়াদের ভ্যাট কার্যক্রম তদন্ত করে। ভ্যাট গোয়েন্দারা প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন মূসক দাখিলপত্র, নিরীক্ষা প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন দলিলের তথ্য–উপাত্ত যাচাই–বাছাই করে ভ্যাট ফাঁকির প্রমাণ পায়।

ভ্যাট গোয়েন্দাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চারুতা প্রাইভেট লিমিটেড ব্যবসায়িক কার্যক্রম কোড-এস ০২৪ দশমিক ০০ হিসেবে নিবন্ধিত হলেও ওই সেবার পাশাপাশি সেবার কোড-এস ০৫০ দশমিক ১০ অনুসারে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বাসভবন, বাণিজ্যিক ভবন, অফিস ইত্যাদির অবকাঠামো নির্মাণের নকশা প্রণয়ন ও অবকাঠামোর ভেতরে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার সেবা দিয়ে থাকে।

রাজধানীর বনানীর চারুতা প্রাইভেট লিমিডেট নামের একটি ইন্টেরিয়র প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আজ সোমবার এই মামলা করেছে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ ৩০ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

এসব সেবার বিপরীতে যথাযথভাবে ভ্যাট দেওয়া হয়নি। প্রতিষ্ঠানটির সর্বমোট অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ ১৪ কোটি ৮৩ লাখ ৯২ হাজার ৪০৬ টাকা এবং সুদ বাবদ ১৫ কোটি ৫১ লাখ ৯৪ হাজার ১০৭ টাকাসহ মোট ৩০ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ৫১৩ টাকার ভ্যাট ফাঁকি উদ্‌ঘাটিত হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন