বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ দূতাবাস মিলে যৌথভাবে এ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।

এর আগে বিএসইসি দুবাই, যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডে এই ধরনের বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এবার যুক্তরাজ্যের দুটি শহরে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে সম্মেলন উদ্বোধনের আগে গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রকেন্দ্রিক মরগ্যান স্টেনলি, ইউক্রেনভিত্তিক সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান জেডএ ক্যাপিটাল অ্যাডভাইজরিসহ বেশ কয়েকটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলাদা আলাদা বৈঠক করেছে বিএসইসির কর্মকর্তারা। বৈঠকে নেতৃত্ব দেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত উল ইসলাম।

বিএসইসি কর্মকর্তারা জানান, বৈঠকে প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তাদের প্রতি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোও এ সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগের বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দেয়।

লন্ডনের কুইন এলিজাবেথ সেন্টারে অনুষ্ঠিতব্য আজকের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য টেকসই প্রবৃদ্ধি অংশীদারত্ব গড়ে তোলা। আয়োজকেরা জানান, বিদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে বসবাসকারী সামর্থ্যবান অনেক বাংলাদেশি রয়েছেন যাঁরা বিনিয়োগে আগ্রহী। তাঁদের সামনে বিনিয়োগের সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরা হবে।

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় আজ সম্মেলনের উদ্বোধনের পরপর খাতভিত্তিক একাধিক কর্ম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বাংলাদেশ থেকে আসা বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা অংশ নেবেন এবং কোন কোন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে, তা তুলে ধরবেন।

এ ছাড়া সম্মেলন কেন্দ্রে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে বিদেশি একাধিক বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকেরও কথা রয়েছে।
লন্ডনের আজকের সম্মেলনের পর ৮ নভেম্বর যুক্তরাজ্যের ম্যানচেস্টার শহরে আরেকটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

আয়োজকেরা আশা করছেন, এ দুটি সম্মেলনের পর বাংলাদেশের শেয়ারবাজারসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ বাড়তে পারে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন