বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বিশেষ সুযোগ-সুবিধাসংবলিত প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সেবা দেওয়াও সহজ করা হয়েছে। তা ছাড়া বাংলাদেশ হলো প্রায় ১৭ কোটি মানুষের বড় এক বাজার। তাই অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগকারীরা এ দেশে বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন।

অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বড় বাজার। ২০০৩ সাল থেকে বাংলাদেশকে শুল্ক ও কোটামুক্ত বাণিজ্যসুবিধা দিচ্ছে দেশটি। এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পরও অস্ট্রেলিয়া একই সুবিধা অব্যাহত রাখবে বলে আশাবাদী তিনি। বলেন, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) এলডিসি গ্রুপের প্রস্তাবে অস্ট্রেলিয়ার সমর্থনও আশা করে বাংলাদেশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে অস্ট্রেলিয়ায় ৮০ কোটি ৪৬ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে দেশটি থেকে ৬০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। কোভিড-১৯-এর কারণে গত দুই অর্থবছরে আশানুরূপ বাণিজ্য হয়নি। টিফা স্বাক্ষরের ফলে উভয় দেশ উপকৃত হবে।

অস্ট্রেলিয়া হচ্ছে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যে প্রথম এবং বিশ্বে চতুর্থ দেশ। এ জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে টিপু মুনশি বলেন, ভ্যাকসিন উৎপাদকারী দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া মানবিক কারণে বাংলাদেশে কোভিড ভ্যাকসিন অনুদান হিসেবে সরবরাহ করতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য, পর্যটন ও বিনিয়োগবিষয়ক মন্ত্রী ডান টিহান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। টিফা সইয়ের মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বাড়বে। বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের পাশাপাশি তথ্যপ্রযুক্তি, হালকা প্রকৌশল, প্লাস্টিক, শিক্ষাসহ বেশ কিছু সম্ভাবনাময় খাত রয়েছে, যেগুলোতে অস্ট্রেলিয়া বিনিয়োগে আগ্রহী।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন