অর্থমন্ত্রী ছাড়া সভায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম, অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার প্রমুখ। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস-প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শ্যেফার, বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি মিয়াং টেম্বন, বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক পরিচালক (দক্ষিণ এশিয়া) যৌবিদা খেরুস আলাউয়া প্রমুখ।

সভার শুরুতে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধিদলকে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ভিত যথেষ্ট মজবুত রয়েছে। করোনা–পরবর্তী পরিস্থিতিতে এমন অর্থনৈতিক সক্ষমতা ধরে রাখা বিরল। এ সময় পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাম্প্রতিক তথ্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৩৮ বছরের মাথায় ১০০ বিলিয়ন ডলার জিডিপির মাইলফলক স্পর্শ করেছিল। এরপর মাত্র এক যুগে তা চার গুণ বেড়ে এখন ৪১১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক ভাইস-প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শ্যেফার কোভিড-১৯ থেকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সাফল্যের প্রশংসা করেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের নকশা, প্রক্রিয়া, অনুমোদন ও বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে আরও গতিশীলতা আনার জন্য সুপারিশ করেন।