এলটিইউয়ের কমিশনার ইকবাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘করোনা সংকটে ব্যবসা-বাণিজ্য শ্লথগতি থাকলেও আমরা কর আদায়ের লক্ষ্য অর্জন করেছি। রাজস্ব আদায়ে এবার অন্যবারের চেয়ে এলটিইউ একটু বেশি সচেষ্ট ছিল। এ ছাড়া এনবিআরের পক্ষ থেকেও সুনির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা ছিল। এসব কারণে লক্ষ্য অর্জন হয়েছে।’

বর্তমানে এলটিইউতে ব্যাংক-বিমা, উৎপাদন, গণমাধ্যম, মোবাইল ফোন অপারেটর, ওষুধ খাতসহ ২৮১ কোম্পানি আছে। এ ছাড়া এসব কোম্পানির ৯৮৭ জন পরিচালকও এলটিইউতে ব্যক্তিগত আয়কর দেন।

২০১৯-২০ অর্থবছরের চেয়ে বিদায়ী অর্থবছরে এলটিইউ ৩ হাজার ১৭৩ কোটি টাকা বা ১৫ শতাংশের মতো বেশি কর আদায় করেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে ২০ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা আদায় করেছিল এলটিইউ। এর আগে ২০১৪-১৫ অর্থবছরেও এলটিইউ আয়কর আদায়ের লক্ষ্য অর্জন করেছিল।

এলটিইউ সূত্রে জানা গেছে, এবারের হিসাবটি সাময়িক হিসাব। চূড়ান্ত হিসাব পেতে আরও দুই সপ্তাহের মতো সময় লাগবে। এ বিষয়ে কমিশনার ইকবাল হোসেন বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা গেছে, চূড়ান্ত হিসাবে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ কিছুটা বাড়ে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন