বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনলাইনে বৈঠকে যুক্ত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজীব উল আলম। এ ছাড়া বৈঠকে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইক্যাব) সভাপতি শমী কায়সার এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ, আইন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন এবং কর্তৃপক্ষ গঠনের পক্ষে কেউ মত দেননি। তবু সফিকুজ্জামানকে প্রধান করে গত সপ্তাহে গঠিত ই-কমার্স আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠনের লক্ষ্যে গঠিত ১৬ সদস্যের কমিটি এ ব্যাপারে নতুন একটি উপকমিটি গঠন করেছে।

সফিকুজ্জামান বলেন, উপকমিটির প্রতিবেদনের সুপারিশের ওপর নির্ভর করবে আইন প্রণয়ন ও কর্তৃপক্ষ গঠন করা হবে কি না। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, প্রতিযোগিতা কমিশন আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন আছে। এমনও হতে পারে বর্তমান আইনগুলোকে সংশোধন করে নতুন কোনো ধারা, উপধারা সংযোজন হবে। তবে ডিজিটাল কমার্স সেলকে শক্তিশালী করা হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দুই বছর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করলে ই-কমার্স খাতের বর্তমান দুরবস্থা দেখতে হতো না। এ-সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে সফিকুজ্জামান বলেন, ‘ক্ষতি যা হয়েছে, হয়ে গেছে। সুনির্দিষ্ট এই প্রশ্নের জবাব দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই।’

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন