বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চৌধুরী মনজুর লিয়াকত এ ব্যাপারে প্রথম আলোকে বলেন, ‘২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের পর ইউনিয়ন ক্যাপিটাল কোনো ঋণ দেয়নি। সহযোগী প্রতিষ্ঠানের দেওয়া টাকা আটকে যাওয়ায় আমরা সমস্যায় পড়েছি। আবার বিশেষ সুবিধার কারণে গ্রাহকেরাও টাকা ফেরত দিচ্ছেন না। তবে সাধারণ আমানতকারীদের আমরা যথাসময়ে টাকা ফেরত দিচ্ছি। বিএটিবিসিকে ২ বছরে ১০ কোটি ফেরত দেওয়া হয়েছে। ঋণ আদায় শুরু হলে আগামী বছর থেকে বড় করপোরেটদেরও টাকা ফেরত দিতে আর কোনো সমস্যা হবে না।’

জানা গেছে, ইউনিয়ন ক্যাপিটালের ঋণ ও বিনিয়োগ প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪৫০ কোটি টাকা আছে দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠানে। আর ৮৫ কোটি টাকা রাখা আছে আলোচিত প্রশান্ত কুমার হালদারের ইন্টারন্যাশনাল লিজিং ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানিতে (বিআইএফসি), যা থেকে আয় হচ্ছে না, আবার সেই টাকা ফেরতও আসছে না। তবে প্রতিষ্ঠানটির নথিপত্রে খেলাপি ঋণ ১৪৬ কোটি টাকা। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি সমস্যায় পড়েছে। ইউনিয়ন ক্যাপিটাল যে ঋণ ও বিনিয়োগ দিয়েছে, তার ৬৭৫ কোটি টাকা এসেছে বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ ও আমানত হিসেবে। বাকি প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক আমানতকারীদের।

ইউনিয়ন ক্যাপিটালে পাঠানো চিঠিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক আমানতকারীদের অর্থ ফেরতের পরিকল্পনা, নতুন ঋণ বিতরণ বন্ধ, সহযোগী প্রতিষ্ঠানে নতুন ঋণ ও অবলোপন বন্ধ করাসহ নানা নির্দেশনা দিয়েছে। পাশাপাশি ঋণের মান যথাযথভাবে দেখানো হচ্ছে কি না, তা তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলেছে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন