ভ্যাট গোয়েন্দারা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, টেপটেলস প্রতিটি খাবারের বিলে ‘ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন আবেদন করা হয়েছে’ উল্লেখ করেছে। এ সময়ের মধ্যে তারা গ্রাহকদের কাছ থেকে ১৫ শতাংশ হারে ভ্যাট আদায় করে, যা সরকারি কোষাগারে জমা হয়নি।

প্রতিষ্ঠানটি থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, এ বছর জানুয়ারি থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত টেপটেলসের ভ্যাট আরোপযোগ্য পণ্যের বিক্রয়মূল্য ছিল ২ কোটি ৩২ লাখ ৬৩ হাজার টাকা, যার ওপর প্রযোজ্য ভ্যাট ৩৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। যথাসময়ে ভ্যাট পরিশোধ না করায় ভ্যাট আইন অনুযায়ী মাসিক ২ শতাংশ হারে সুদ (২ লাখ ৯ হাজার টাকা) আরোপ করে জরিমানা করা হয়েছে টেপটেলসকে।

যোগাযোগ করা হলে টেপটেলসের ব্যবস্থাপক আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘রেস্টুরেন্ট হিসেবে টেপটেলস মাত্র দুই সপ্তাহ ধরে গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এর আগে জানুয়ারি থেকে মালিকপক্ষ এবং তাদের পরিচিত মানুষেরা ঘরোয়া অনুষ্ঠান করে আসছেন, যেটাকে ভ্যাট গোয়েন্দারা ব্যবসা হিসেবে বিবেচনা করেছেন।’

ভ্যাট নিবন্ধন না নেওয়ার বিষয়ে টেপটেলসের ব্যবস্থাপক বলেন, ‘গ্রাহকদের জন্য খোলার দ্বিতীয় দিনেই আমরা ব্যবসায়ী নিবন্ধন নম্বরের জন্য আবেদন করি, যা আজ হাতে পেয়েছি।’

বিদ্যমান ভ্যাট আইন অনুসারে, যেকোনো ভ্যাটযোগ্য ব্যবসা শুরুর আগেই যথাযথভাবে ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হবে। পাশাপাশি ৬.৩ নম্বর ফরমে ক্রেতাদের ভ্যাট চালান দিতে হবে। একই সঙ্গে, পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে স্থানীয় ভ্যাট কার্যালয়ে রিটার্নের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছ থেকে সংগৃহীত ভ্যাট সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

ভ্যাট গোয়েন্দাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিযান চলা পর্যন্ত টেপটেলসের নিবন্ধন ছিল না।