বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ বিষয়ে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মইনুল খান প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে আসছে। বেচাকেনার তথ্য ও নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ধরে এই বিপুল ফাঁকি পাওয়া গেছে। এ নিয়ে মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠান অর্থ পাচার করেছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত করার জন্য এনবিআর ও শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তরকে অনুরোধ করা হয়েছে।

কিছুদিন আগে ফু ওয়াংয়ের বেচাকেনার তথ্য জব্দ করে আনেন ভ্যাট গোয়েন্দারা। সংগ্রহ করা হয় ভ্যাটের রিটার্ন। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানটির এসব কাগজপত্রের সঙ্গে ব্যাংক থেকে সংগ্রহ করা দলিল, নিরীক্ষা প্রতিবেদন যাচাই–বাছাই করে বিপুল পরিমাণ ভ্যাট ফাঁকির তথ্য মেলে। প্রকৃত বিক্রি গোপন করে ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ওই পাঁচ বছরে নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৬২ কোটি ৭৬ লাখ ৮১ হাজার বেচাকেনা হয়।

কিন্তু ভ্যাট রিটার্নে বিক্রি দেখানো হয়েছে সোয়া দুই কোটি টাকার মতো। ফু ওয়াং ১৩৯ কোটি টাকার বেশি বিক্রির তথ্য লুকিয়েছে। এতে ভ্যাট ফাঁকি দেওয়া হয়েছে প্রায় ২১ কোটি টাকা। এই ভ্যাট ফাঁকির ওপর মাসে ২ শতাংশ হারে সুদ যোগ করলে প্রায় পৌনে ১৬ কোটি টাকা। বাকি ভ্যাট ফাঁকি হয়েছে স্থাপনা ভাড়ার ওপর।
ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর আরও বলেছে, ফু ওয়াংকে বারবার কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে বক্তব্য জানতে চাইলে কোনো প্রত্যুত্তর দেয়নি। এমনকি তথ্য–উপাত্ত চেয়ে চিঠি লিখলেও জবাব মেলেনি।

ভ্যাট ফাঁকির বিষয়টি তদন্ত করে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফেরদৌসী মাহবুবের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি দল।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন