বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একনেকে উপস্থিত একাধিক নীতিনির্ধারক প্রথম আলোকে জানান, কক্সবাজারের মহেশখালী ও মাতারবাড়ী এলাকায় এখন ৩৭টি প্রকল্পের কাজ চলছে। এর মধ্যে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের দায়িত্বে আছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। মাতারবাড়ীতে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের দায়িত্বে বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়। সেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে। সেটির দায়িত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ। গ্যাসলাইন, এলএনজি, রাস্তাঘাট হচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন দপ্তর আলাদা আলাদা করে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। যার ফলে কাজের সমন্বয় হচ্ছে না। কাজে ব্যাঘাত ঘটছে।
এমন বাস্তবতায় আজ প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ করার নির্দেশ দেন। পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ যেভাবে কাজ করছে, নতুন কর্তৃপক্ষ সেভাবে কাজ করবে।

একনেক বৈঠক শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সাংবাদিকদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আলাদাভাবে কাজ করার সুযোগ নেই।
আজকের একনেক সভায় ২৯ হাজার ৩৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে মোট ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো মাতারবাড়ী কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প। এটি বাস্তবায়নে জাপান সরকার ঋণ দিচ্ছে। এ প্রকল্প অনুমোদনের সময় আলাদা একটি কর্তৃপক্ষ করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে আজকের একনেক সভায় হাওর এলাকায় উড়ালসড়ক নামের আলাদা একটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে খরচ হবে ৩ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর।

এ প্রকল্পের আওতায় ১১ কিলোমিটার উড়ালসড়ক করার মতো সক্ষমতা এলজিইডির আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, উড়ালসড়ক করতে গিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং সেতু বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করতে এলজিইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শামসুল আলম, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তীসহ অন্যরা।

একনেক সভায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শরিফা খান বলেন, মাতারবাড়ীতে এখন গভীর সমুদ্রবন্দর হবে। আগে সমুদ্রবন্দরের পরিকল্পনা ছিল।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন