বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আফ্রিকার দেশগুলোতে পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে কেনিয়া, ইথিওপিয়া, কঙ্গো, রুয়ান্ডা ও দক্ষিণ সুদানে প্রচুর জমি আছে। সেখানে । অ্যাগ্রি–বিজনেস তথা কৃষিবাণিজ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এই সুযোগ বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, ওষুধ, বস্ত্র, কৃষিজাত পণ্য, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও পাদুকা পণ্যের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে। আফ্রিকা অঞ্চলে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের আরও সম্প্রসারণে সরকারের পক্ষ থেকে নীতি–সহায়তার আশ্বাস দেন তিনি।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, বাংলাদেশের মোট রপ্তানির মাত্র ১ দশমিক ০২ শতাংশ আফ্রিকার দেশগুলোতে হয়ে থাকে। তিনি বলেন, আফ্রিকার দেশগুলো থেকে বাংলাদেশ প্রধানত তুলা আমদানি করে। বর্তমানে বাংলাদেশের বস্ত্র, কৃষি, মৎস্য, বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ খাতে আফ্রিকার বিনিয়োগ ৩০ কোটি ডলার। তিনি আফ্রিকা ও বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালু, বাংলাদেশে আফ্রিকার দেশগুলোর দূতাবাস স্থাপন, এফটিএ ও পিটিএ সইয়ের বিষয়ে তাগিদ দেন।

ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান বলেন, আফ্রিকায় বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর লক্ষ্যে ইপিবি পাঁচটি বাণিজ্য মেলা আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন