বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফলের দাম বৃদ্ধির একটি কারণ হলো, এ বছর কৃষকেরা দাম সম্পর্কে সচেতন, ফলে তাঁরা দাম কিছুটা বেশি রাখছেন। তারপরও কৃষক পর্যায়ের দাম এবং খুচরা মূল্যের পার্থক্য অস্বাভাবিক, আমরাও বিষয়টি লক্ষ করছি।’

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, দেশে যত ফল উৎপন্ন হয়, তার ৫৬ শতাংশ উৎপাদিত হয় গ্রীষ্মকালের চার মাসে। বাকি ৪৪ শতাংশ ফল বাকি আট মাসে উৎপন্ন হয়। ফলে গ্রীষ্মের শুরুতে ফলের সংকট থাকায় দাম কিছুটা বাড়তি থাকে।

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের ফলের দৈনিক চাহিদা ২০০ গ্রাম। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, দেশে গড়ে জনপ্রতি দৈনিক ৮২ গ্রাম ফল খাওয়া হয়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র সরকার বলেন, করোনা ও রোজায় ফলের চাহিদা কিছুটা বেড়ে গেছে, যার সুযোগ বিক্রেতারা নিচ্ছেন।
চাহিদার তুলনায় জোগান কম হলেও বাংলাদেশে ফল উৎপাদন-পরবর্তী অপচয়ের হার ২০-৪০ শতাংশ। বাবুল চন্দ্র বলেন, যেহেতু রোজায় পণ্য ধরে রাখার একটা প্রবণতা কাজ করে, সেহেতু এই সময় বাজার নিয়ন্ত্রণ খুব জরুরি। তা না হলে লাভ করতে গিয়ে বিক্রেতারা পণ্যের অপচয় করে ফেলবেন।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন