বিজ্ঞাপন

যোগাযোগ করা হলে লুবনানের পরিচালক মো. জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মামলার বিষয়ে ভ্যাট কার্যালয় থেকে আমাদের এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যম থেকেই মামলার বিষয়ে জানতে পেরেছি। মাসখানেক আগে ভ্যাট কর্মকর্তারা আমাদের কাছ থেকে তথ্যাদি নিয়ে যান। এরপর আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দিয়ে মামলা করা হয়েছে।’

ভ্যাট গোয়েন্দাদের তদন্ত অনুসারে, ওই চার বছরে বিক্রির বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটি ৩৯ কোটি ৮২ লাখ ৫৮ হাজার ৫৬৭ টাকা ভ্যাট পরিশোধ করেছে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির ভ্যাট দেওয়ার কথা ছিল ৪১ কোটি ৫৮ লাখ ১৫ হাজার ৯৯৫ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির অপরিশোধিত ভ্যাটের পরিমাণ ১ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৪২৮ টাকা। এই ফাঁকি দেওয়া ভ্যাটের ওপর ৯৫ লাখ ২০ হাজার ৯২৯ টাকা সুদ আরোপ হবে।

এদিকে ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি স্থান ও স্থাপনার ভাড়ার বিপরীতে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৫১ হাজার ৩৬৮ টাকার ভ্যাট পরিশোধ করেছে। কিন্তু ভ্যাট দেওয়ার কথা ছিল ৪ কোটি ৪১ লাখ ৬৫ হাজার ৮০ টাকা। এ ক্ষেত্রে ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ ১ লাখ ১৩ হাজার ৭১২ টাকা। এর ওপর সুদ হবে ৭৫ হাজার ১৮ টাকা। এ ছাড়া উৎসে কর হিসেবে ১ কোটি ৭২ লাখ ৭৬ হাজার ৭১৫ কোটি টাকা ফাঁকি দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে সুদ যোগ হবে ১৪ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪০ টাকা।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন