বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিসটিকসের (বিবিএস) সাময়িক হিসাব অনুসারে, ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি দাঁড়ায় ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। আইএমএফ বলছে, সরকার অর্থনীতি চাঙা করতে বাজেটে যে বরাদ্দ দিয়েছে, তার প্রভাব অর্থনীতিতে অনুভূত হচ্ছে।

প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে রাজস্বের জোগান বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ। কিন্তু দেশে রাজস্ব-জিডিপির অনুপাত অত্যন্ত কম। এই বাস্তবতা ঝুঁকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইএমএফ। তাদের পরামর্শ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা ও নীতি কাঠামোর আধুনিকায়ন জরুরি।

সম্প্রতি আইএমএফের অর্থনীতিবিদ রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে একদল ঢাকা সফর করেছে। তাঁর সফরের পরিপ্রেক্ষিতে আইএমএফ বাংলাদেশ নিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছে।

সেখানে প্রবৃদ্ধির এই পূর্বাভাস করা হয়েছে। তবে বিবৃতিতে রাহুল আনন্দ কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য হলো বাংলাদেশের আর্থিক খাতে যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তার রাশ কিছুটা শিথিল করতে কোভিড-১৯–সংক্রান্ত প্রণোদনা থেকে সময়মতো বেরিয়ে আসতে হবে। খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে করপোরেটর সুশাসন, আইনি কাঠামো, নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ জরুরি।

এলডিসি থেকে উত্তরণ নিয়েও পরামর্শ দিয়েছেন রাহুল আনন্দ। তিনি বলেন, কোভিড-উত্তর পৃথিবীতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে এবং এলডিসি উত্তরণ সার্থক করতে হলে বাংলাদেশকে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে হবে—বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি। বেসরকারি খাতনির্ভর প্রবৃদ্ধির ধারা বজায় রাখতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি; যেমন শাসনব্যবস্থার উন্নয়ন, রপ্তানির বহুমুখীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলার সক্ষমতা সৃষ্টি ইত্যাদি।

আইএমএফের সফরকারী দল সফরকালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থসচিব, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। এ ছাড়া ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, ব্যাংক, শ্রমিক ইউনিয়ন ও উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেছে তারা।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন