বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে গতকাল সোমবার বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) সঙ্গে কিডো ঢাকা কোম্পানি লিমিটেডের একটি চুক্তি সই হয়েছে। রাজধানীর ধানমন্ডিতে বেপজা কার্যালয়ে বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) আলী রেজা মজিদ এবং কিডো ঢাকা কোম্পানি লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আন ইয়াং ডাই (জোসেফ) নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বেপজার নবনিযুক্ত নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, বিদায়ী নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

কিডো দক্ষিণ কোরিয়ার একটি খ্যাতনামা স্পোর্টসওয়্যার, তথা খেলাধুলার সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, যাদের ভিয়েতনাম, মিয়ানমার ও ইন্দোনেশিয়াতে পাঁচটি কারখানা রয়েছে। বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগ পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। তাদের সুবিধামতো কোনো ইপিজেডে জমি পেলে সেখানে বিনিয়োগ করবে কিডো। গতকালের অনুষ্ঠানে এমন অভিপ্রায় প্রকাশ করেছেন আন ইয়াং ডাই।

শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠান বছরে ২০ লাখ পিছ ক্লথ জ্যাকেট, মোটরসাইকেল সেফটি জ্যাকেট, চামড়া ও ফাইবার জ্যাকেট তৈরি করবে। একই সঙ্গে ওয়ার্ক জ্যাকেট, স্পোর্টস জ্যাকেট, ফ্লিস জ্যাকেট, বেবি ওয়ার্মার (জ্যাকেট), সফট শেল (জ্যাকেট), সোয়েট শার্ট, ভেস্ট, ওয়ার্ক ওয়্যার, কভারেল, হাসপাতাল গাউন, প্রটেকটিভ ক্লথ ও পিপিই তৈরি করবে। কারখানাটিতে ছয় হাজার বাংলাদেশি শ্রমিকের চাকরি হবে।

অনুষ্ঠানে বেপজার বিদায়ী নির্বাহী চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে কাজ করছে বেপজা। অনেকের আশঙ্কা ছিল, করোনাভাইরাসের কারণে বাংলাদেশ পিছিয়ে যাবে, কিন্তু বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, কিডোর বিনিয়োগের ফলে বিদেশি অনেক কোম্পানির বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ তৈরি হবে।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন