বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এক বছর ধরে ব্যবসায়ীদের বুঝিয়ে অনলাইনে এনেছি। এই করোনার সময়ে যখন সবকিছু বন্ধ, তখন তাঁরা ঘরে বসেই এ সুবিধা নিয়েছেন।
কুমিল্লার কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী

এনবিআর জানায়, ভ্যাট রিটার্ন থেকে প্রতি মাসে ১০-১২ হাজার কোটি টাকা আসে। চলতি এপ্রিল মাসে তা কমে ৭ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। তবে করোনার সময়ে প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে রিটার্ন দাখিল নিশ্চিত করা যায়, তা দেখিয়েছে দেশের দুটি ভ্যাট কমিশনারেট। ওই দুটি কমিশনারেট হলো কুমিল্লা ও যশোর। এই দুটি কমিশনারেটে ভ্যাট রিটার্ন জমার হার ৯৫ শতাংশ। শীর্ষে আছে কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেট। কুমিল্লা ভ্যাট কমিশনারেটের আওতায় ছয়টি জেলায় ভ্যাট নিবন্ধিত ১০ হাজার ৩২৪টি প্রতিষ্ঠান আছে। গত মার্চ মাসে ৯ হাজার ৮৫৬ প্রতিষ্ঠান রিটার্ন দিয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি সনাতনী পদ্ধতিতে ও বাকিগুলো অনলাইনে জমা হয়েছে।

কীভাবে সম্ভব হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে কুমিল্লার কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল হোসাইন চৌধুরী বলেন, ‘এক বছর ধরে ব্যবসায়ীদের বুঝিয়ে অনলাইনে এনেছি। এই করোনার সময়ে যখন সবকিছু বন্ধ, তখন তাঁরা ঘরে বসেই এ সুবিধা নিয়েছেন।’
এক বছর আগেও সনাতনী পদ্ধতিতে ভ্যাট রিটার্ন দিত কুমিল্লাভিত্তিক শিল্পগোষ্ঠী ফরিদ গ্রুপ। এক বছর ধরে অনলাইনে রিটার্ন দিচ্ছেন বলে জানান গ্রুপটির পরিচালক জহিরুল হক।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, নতুন ভ্যাট আইনে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে ভ্যাট রিটার্ন জমা দেওয়ার বিধান আছে। তা না হলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং নির্ধারিত ভ্যাটের টাকার ওপর ২ শতাংশ হারে সুদ আরোপ হয়।

অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন