বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রিহ্যাবের সভাপতি আলমগীর শামসুল আলামিন। তিনি বলেন, ২০০৮ সালের ঢাকা ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী, ২০ ফুট সড়কসংলগ্ন ৫ কাঠা জমিতে সর্বোচ্চ ৮ তলাবিশিষ্ট ভবন বা মোট সাড়ে ১৩ হাজার বর্গফুট নির্মাণের অনুমতি পাওয়া যেত। আর প্রস্তাবিত বিধিমালা বাস্তবায়িত হলে সমপরিমাণ জায়গায় নির্মাণ করা যাবে সর্বোচ্চ ৫ তলাবিশিষ্ট বা মোট ৯ হাজার বর্গফুটের ভবন। তবে ২০ ফুটের চেয়ে কম প্রশস্তের সড়কের ক্ষেত্রে ভবনের উচ্চতা ৩-৪ তলার বেশি হতে পারবে না। ভবনের আয়তন কমে গেলে জমির মালিকেরা পরিকল্পিত বা চাহিদা অনুযায়ী ফ্ল্যাট কখনোই পাবেন না। আর ফ্ল্যাটের সংখ্যা কমে গেলে তার কারণে বাসাভাড়াও বেড়ে যাবে।

রাজউকের এলাকায় মোট স্থাপনা রয়েছে ২১ লাখের বেশি। তার মধ্যে ৮৪ শতাংশ একতলাবিশিষ্ট স্থাপনা। ছয় তলার বেশি স্থাপনা মাত্র দশমিক ৬৭ শতাংশ। আটতলার বেশি স্থাপনা মাত্র দশমিক ১৬ শতাংশ। এমন তথ্য দিয়ে রিহ্যাব সভাপতি বলেন, ভবনের আয়তন বা উচ্চতা ঢাকা শহরের জনঘনত্ব কমানোর হাতিয়ার রূপে ব্যবহার করার চেষ্টা কতটুকু বাস্তবসম্মত, সেটি প্রশ্নবিদ্ধ। প্রস্তাবিত ড্যাপ ও বিধিমালা চূড়ান্ত অনুমোদনে নগর–পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি, পেশাজীবী ও খাত–সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের মতামত নেওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন রিহ্যাব সহসভাপতি মোহাম্মদ সোহেল রানা। তিনি বলেন, আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো ইতিমধ্যে অনেক জমিতে আবাসন প্রকল্প করতে চুক্তি করেছে। হঠাৎ করে নীতি পরিবর্তন করা হলে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন রিহ্যাবের সহসভাপতি কামাল মাহমুদ, নজরুল ইসলাম, শরীফ আলী খান প্রমুখ।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন