বিজ্ঞাপন

গত সপ্তাহে এক কোটি ওয়েট ব্লু রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই দিন এএসকে ইনভেস্টমেন্ট, কাদের লেদার কমপ্লেক্স, আমিন ট্যানারি লিমিটেড, লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ লিমিটেড (ইউনিট-২) এবং কালাম ব্রাদারসকে এ দফায় ওয়েট ব্লু চামড়া রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়। অনুমতির মেয়াদ বহাল থাকবে ২০২২ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত।

তবে নতুন করে আর কাউকে ওয়েট ব্লু রপ্তানি না করতে অনুরোধ করেন বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাহীন আহমেদ। এতে স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
পশুর শরীর থেকে প্রথমে চামড়া ও পরে পশম ছাড়িয়ে প্রক্রিয়াজাত করার পর যে চামড়া পাওয়া যায়, তাকেই ওয়েট ব্লু চামড়া বলা হয়। ১৯৯০ সালের আগপর্যন্ত এ ধরনের চামড়া বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হতো। এ ছাড়া বাংলাদেশ থেকে সব সময় চীন, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, জাপান ও স্পেনের মতো দেশে ‘ক্রাস্ট’ ও ‘ফিনিশড লেদার’ রপ্তানি হয়ে আসছে। সেখানে অবশ্য ধস নেমেছে কিছুটা।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে, পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশে ১ কোটি ২০ লাখের মতো পশু জবাই হয়। এগুলোর মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ লাখ গরু-মহিষ। কোভিডের কারণে এবার কোরবানির পরিমাণ কমতে পারে। ঈদুল আজহায় জবাই হওয়া গরুর স্বাস্থ্য ভালো থাকে বলে চামড়ার মানও খুব ভালো হয়। তাই ট্যানারিগুলো মোট চামড়ার ৫০ শতাংশই সংগ্রহ করে ঈদুল আজহায়।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন