বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গতকাল বৃহস্পতিবার ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৯’ অনুষ্ঠানে ধারণ করা ভিডিও বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।

শিল্পায়নের সঙ্গে কর্মপরিবেশের প্রতি যত্নশীল হওয়ার তাগিদ দিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, উৎপাদন বাড়াতে শ্রমিকদের শ্রম ও দক্ষতা অপরিহার্য। এ জন্য মালিক-শ্রমিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রপতির পক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বিজয়ী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্ণধার ও প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা।

মোট ১৯টি প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার পেয়েছে। বৃহৎ শিল্প শ্রেণিতে যৌথভাবে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড। একই শ্রেণিতে দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে মীর সিরামিক লিমিটেড ও তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড।

মাঝারি শিল্পে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে বেঙ্গল পলিমার ওয়্যারস লিমিটেড, দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে নোমান টেরি টাওয়েল মিলস ও যৌথভাবে তৃতীয় পুরস্কার পেয়েছে অকো-টেক্স লিমিটেড ও ক্রিমসন রোসেলা সি ফুড।

ক্ষুদ্রশিল্প শ্রেণিতে প্রথম হয়েছে প্রমি অ্যাগ্রো ফুডস, দ্বিতীয় হয়েছে মাধবদী ডাইং ফিনিশিং মিলস আর তৃতীয় হয়েছে এপিএস হোল্ডিংস। মাইক্রোশিল্পে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে মাসকো ডেইরি এন্টারপ্রাইজ, দ্বিতীয় খান বেকেলাইট প্রোডাক্টস ও তৃতীয় র‍্যাভেন অ্যাগ্রো কেমিক্যালস লিমিটেড।

কুটিরশিল্প শ্রেণিতে পুরস্কার পেয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠান। প্রথম হয়েছে কোর-দ৵ জুট ওয়ার্কস আর দ্বিতীয় হয়েছে সামসুন্নাহার টেক্সটাইল মিলস।

হাইটেক শিল্পে পুরস্কার পেয়েছে ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ইনফরমেশন টেকনোলজি কনসালট্যান্টস লিমিটেড ও সামিট কমিউনিকেশনস লিমিটেড।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন