বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এসএমই ফাউন্ডেশন বলছে, ‘জাতীয় শিল্পনীতি ২০১৬’ অনুযায়ী, মেলায় অন্যবারের মতো এবারও অগ্রাধিকার পাবে কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারী শিল্প, আইসিটি, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হালকা প্রকৌশল, পাট ও পাটজাত, প্লাস্টিক, হস্ত ও কারুশিল্প, জুয়েলারি, খেলনা ও আগরশিল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলো। বিদেশি ও আমদানি করা পণ্য মেলায় প্রদর্শন কিংবা বিক্রয় করা যাবে না। দেশীয় উৎপাদনকারী অথবা সেবামূলক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পই শুধু মেলায় প্রদর্শন ও বিক্রয়ের সুযোগ পাবে।

এসএমই মেলা আয়োজনের উদ্দেশ্য হিসেবে ফাউন্ডেশন বলছে, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের প্রচার, প্রসার, বিক্রয় এবং স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাজার সম্প্রসারণ করতে এই উদ্যোগ হাতে নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া এসএমই উদ্যোক্তাদের পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, যোগাযোগ ও সেতুবন্ধন তৈরিতে সহায়তা করা এবং ভোক্তা ও এসএমই উদ্যোক্তাদের পারস্পরিক সংযোগ স্থাপন করতে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

এখন পর্যন্ত আটটি জাতীয় পণ্য মেলায় ক্রয়াদেশ পাওয়া গেছে পাঁচ কোটি টাকার। আর পণ্য বিক্রি হয়েছে তিন কোটি টাকার।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন