default-image

চট্টগ্রামের নাসিরাবাদের বায়েজিদ বোস্তামী সড়কে অভিজাত বিপণিবিতান মিমি সুপার মার্কেটে রয়েছে ২৬৩টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। তার মধ্যে ২০৩টি প্রতিষ্ঠান ভ্যাট দেয় না। বাকি ৬০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ভ্যাট নিবন্ধন থাকলেও তাদের অনেকে রিটার্ন ও ভ্যাট পরিশোধ করছে না। ৫০টি নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানে দৃশ্যমান স্থানে ভ্যাট সনদ প্রদর্শনও করে না।

এসব অভিযোগে ২৫৩ টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আজ রোববার মামলা করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভ্যাট গোয়েন্দা সংস্থা। তার আগে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভ্যাট ফাঁকির বিষয়ে সংস্থার উপপরিচালক তানভীর আহমেদের নেতৃত্বে একটি জরিপ পরিচালিত হয়। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে ভ্যাট গোয়েন্দা সংস্থা।

বিজ্ঞাপন

ভ্যাট গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে, মিমি সুপার মার্কেটের ২৬৩টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে নতুন আইনে নিবন্ধিত নিয়েছে মাত্র ৬০টি। অবশিষ্ট ২০৩টির নিবন্ধন নেই। তারা ক্রেতার কাছ থেকে ভ্যাট নিয়েও সরকারি কোষাগারে জমা দেয় না। আইন অনুযায়ী প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করার বিধান থাকলেও অনিবন্ধিত ২০৩টি প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসার শুরু থেকে ফাঁকি দেওয়া ভ্যাট হিসাব করে (প্রকৃত খরচের ভিত্তিতে) বকেয়া ও মাসিক ২ শতাংশ হারে সুদসহ জরিমানা আদায়ের জন্য চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেটকে অনুরোধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে বিপণিবিতানের ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়া ৬০টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মাত্র ১০টি ভ্যাট সনদ ঝুলিয়ে রেখেছে। বাকি ৫০টি প্রতিষ্ঠানে দৃশ্যমান স্থানে ভ্যাট সনদ পাওয়া যায়নি। তবে আইন অনুযায়ী ভ্যাট নিবন্ধনের সনদ দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে রাখা বাধ্যতামূলক। এই অনিয়মের জন্য ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায়ের বিধানও রয়েছে।

ভ্যাট নিবন্ধন না নেওয়ায় যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে তুলি শাড়ি, পিন্ধন, নিউ আঁচল, অপরূপা শাড়ি, ফ্যামিলি ফুড, আল আয়েশা বোরকা, মিমি জুয়েলার্স, বনরূপা জুয়েলার্স ইত্যাদি।

মন্তব্য পড়ুন 0