বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যৌথ কমিটি তিন মাসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়িক সংগঠনের কাছে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে। বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর নেতারা বলছেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খুচরা বিক্রেতা ও ব্র্যান্ডদের কাছ থেকে নৈতিক মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে পোশাকের মূল্য নিয়ে অসুস্থ প্রতিযোগিতার অবসান ঘটাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিজিএমইএর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজধানীর গুলশানে বিজিএমইএর পিআর কার্যালয়ে শনিবার অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় এই যৌথ কমিটি গঠন করা হয়। বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের সভাপতিত্বে এই সভায় সংগঠনের সহসভাপতি শহিদউল্লাহ, মিরান আলী, পরিচালক আসিফ আশরাফ, বিকেএমইএর নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, সহসভাপতি ফজলে শামীম, সহসভাপতি মো. আকতার হোসেন ও পরিচালক ইমরান কাদের উপস্থিত ছিলেন।

বিকেএমইএর সহসভাপতি ফজলে শামীমের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের যৌথ কমিটি উৎপাদন ব্যয়, শিল্পের প্রয়োজনীয় জোগানের ব্যয় এবং তৈরি পোশাকের রপ্তানিমূল্য পুঙ্খানুপুঙ্খ বিশ্লেষণ করবে। এ জন্য কমিটি সুতা, কাপড়, ডাইং, প্রসেসিং, এমব্রয়ডারি, সরঞ্জাম প্রস্তুতকারীসহ বিভিন্ন খাতের ব৵বসায়ীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করবে।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন