বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আজ মঙ্গলবার রপ্তানি আয়ের এই হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, তৈরি পোশাকের পাশাপাশি হিমায়িত খাদ্য, কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল ও রাসায়নিক পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। বড় খাতের মধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি কমেছে।

চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১ হাজার ২৬২ কোটি ডলার বা ১ লাখ ৮ হাজার ৫৩২ কোটি টাকার। এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সাড়ে ২২ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে ১ হাজার ৪৫ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছিল। তৈরি পোশাকের মধ্যে নিটের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি বেশি। জুলাই-অক্টোবর-চার মাসে ৭২০ কোটি ডলারের নিট পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৪ শতাংশ বেশি। অন্য দিকে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৫৪১ কোটি ডলারের। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৪১ শতাংশ।

পোশাকশিল্পের মালিকেরা বলছেন, ক্রেতা দেশগুলোতে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসায় পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। আবার বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি যা-ই থাকুক না কেন, পোশাক কারখানায় তার প্রভাব পড়েনি। সে কারণে ক্রেতারা এ দেশের ওপর আস্থা রেখেছে। তা ছাড়া প্রধান প্রতিযোগী দেশ চীনে পোশাক তৈরির ব্যয় বাড়ছিল। সম্প্রতি জ্বালানিসংকটের কারণে তারা সমস্যায় পড়েছে। ভিয়েতনামেও করোনার বিধিনিষেধে লম্বা সময় কারখানা বন্ধ ছিল। সে জন্য দেশ দুটি থেকে প্রচুর ক্রয়াদেশ স্থানান্তরিত হয়ে বাংলাদেশের কারখানাগুলোতে এসেছে।

তৈরি পোশাকের পর পণ্য রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাদ্য। আলোচ্য চার মাসে ৪৬ কোটি টাকার প্রক্রিয়াজাত খাদ্য রপ্তানি হয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৯ শতাংশ বেশি। রপ্তানিতে তৃতীয় স্থানে আছে হোম টেক্সটাইল। এই খাতের রপ্তানির পরিমাণ ৪১ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাড়ে ১০ শতাংশ। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৬ কোটি ডলারের। এই আয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ বেশি। অবশ্য পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি কমেছে ২৪ শতাংশ। রপ্তানির পরিমাণ ৩৩ কোটি ডলার।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন