default-image

করোনা মোকাবিলায় দেওয়া প্রথম সাধারণ ছুটির পর যখন বিউটি পারলার ও স্যালন খোলা হলো তখন দেখা যায়, গ্রাহকসংখ্যা কমে গেছে, কিন্তু পরিচালন ব্যয় আগের মতোই আছে। সে জন্য ছোটরা তো বটেই, বড়রাও ব্যবসা সংকুচিত করে ফেলতে বাধ্য হয়। কাজের সময় সীমিত করা হয়, কমানো হয় কর্মী। যারা প্রথম ধাক্কা সামলাতে পেরেছিল, তাদের এখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আগে একটা বড় সমস্যা ছিল—বিউটি পারলার শিল্প খাত হিসেবে মর্যাদা পেত না। সে জন্য এ খাতে অনেক বেশি বিল পরিশোধ করতে হতো। গত বছর এটিকে একক শিল্প হিসেবে গণ্য করার পর থেকে সমস্যা কিছুটা কমে আসছে। তবে অনেক সমস্যা থেকে যাচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

যেমন এ শিল্পের একটি বড়সংখ্যক প্রতিষ্ঠান এতই ছোট যে তারা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত পরিচালনা করে না। তাদের এটাও জানা নেই ব্যাংকঋণ বা প্রণোদনার মতো সহযোগিতা পেতে কী ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন। তারা শুধু কাজটাই করতে জানে, ব্যবসা নয়। এখন আমাদের একটা বড় কাজ হলো, তাদের ব্যবসা শেখানো।

এখান থেকে কীভাবে উঠতে হবে, সেই পথ দেখানো। কিন্তু যা–ই করা হোক না কেন, সবটার জন্যই অর্থ সহযোগিতা লাগবে। বিউটি পারলার সেবা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে। খাতটা দিনে দিনে আরও বড় হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা আছে। তই এটাকে এখন টিকিয়ে রাখা লাগবে।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন