default-image

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ২০২১-২৩ মেয়াদের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে ১০ ঘণ্টার ভোটে সংগঠনটির ৮৬ শতাংশ ভোটার বা ১ হাজার ৯৯৬ জন নিজেদের রায় দিয়েছেন। সন্ধ্যা সাতটায় ভোট শেষ হওয়ার পর গণনা শুরু হয়েছে। আজ রাতেই অনানুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

মহামারি করোনার উচ্চ সংক্রমণের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব মেনে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে নির্বাচন বোর্ড ভোটের সময় ৮ ঘণ্টার পরিবর্তে ১০ ঘণ্টা করা হয়। তবে ঢাকার র‌্যাডিসন হোটেলের ভেতরে স্বাস্থ্যবিধি কিছুটা মানা হলেও বাইরে সম্ভব হয়নি। কারণ, সম্মিলিত পরিষদের বিপুলসংখ্যক সমর্থক সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রের বাইরে গলায় কার্ড পরে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণে নেমে পড়েন। ফোরামের সমর্থক থাকলেও তা ছিল হাতে গোনা। বিষয়টি নিয়ে ফোরামের নেতারা একাধিকবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

ভোট শেষে জানতে চাইলে বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক প্রথম আলোকে বলেন, ভোট ভালো হয়েছে। তবে নির্বাচন বোর্ডের নিষেধ সত্ত্বেও কেন্দ্রের সীমানার বাইরে প্রচুর বহিরাগত আসছে। এটি দুর্ভাগ্য যে বাইরে সামাজিক দূরত্ব মানা যায়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আশা করি, বিজিএমইএর নতুন নেতৃত্ব আরও ভালোভাবে কাজ করবে।’

দীর্ঘ আট বছর পর বিজিএমইএর নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রামে সংগঠনের ৩৫ পরিচালক পদের জন্য লড়েছেন নির্বাচনকেন্দ্রিক জোট সম্মিলিত পরিষদ ও ফোরামের ৭০ জন প্রার্থী। স্বাধীনতা পরিষদ নামের আরেকটি জোট সম্মিলিত পরিষদের সঙ্গে যৌথভাবে নির্বাচন করছে।

default-image

ঢাকার র‌্যাডিসন হোটেলে নির্বাচনের প্রথম ১ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৭৩টি ভোট পড়ে। পরের ঘণ্টায় ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। তারপর আবার ভোটার উপস্থিতি বৃদ্ধি পায়। শেষ পর্যন্ত ঢাকার ১ হাজার ৮৫২ ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৬০৪ জন ভোট দেন। আর চট্টগ্রামের ৪৬১ ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ৩৯২ জন। তাতে ঢাকায় ৮৭ ও চট্টগ্রামে ৮৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। ২০১৩ সালের বিজিএমইএর সর্বশেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনে ৮৮ শতাংশ ভোট পড়েছিল।

বিজ্ঞাপন
শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন