বাংলাদেশ লোকাল কার্টুন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ পেপার ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, দ্য বাংলাদেশ পেপার মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ পাঠ্যপুস্তক মুদ্রক ও বিপণন সমিতি, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ যৌথভাবে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের লা ভিঞ্চি হোটেলে এ সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে।

করোনাকালীন ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উল্লেখ করে সাত সংগঠন বলেছে, করোনা–পরবর্তী সময়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে যে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি হয়েছে, তাতে আমদানি করা সব পণ্যের মূল্য অনেক বেড়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ৫০ শতাংশ মার্জিনে আমদানি ঋণপত্র খুলছে। এতে আমদানি করা পণ্যসামগ্রীর ক্রয়-বিক্রয়ে বিরূপ প্রভাব পড়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং বিদেশ থেকে এই দ্রব্যসামগ্রী আমদানি পর্যায়ে মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বৃদ্ধি হওয়ায় প্রস্তাবিত বাজেটে আমদানি করা কাঁচামাল (পেপার ও পেপার বোর্ড) আমদানি পর্যায়ে শুল্ক-কর প্রস্তাবিত ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করার জন্য অনুরোধ করেছে তারা।

২০১৯-২০ সালে ঘোষিত বাজেটে শুল্ক-কর ১৫ শতাংশ নির্ধারিত হয়েছিল। কিন্তু প্রস্তাবিত বাজেটে শুল্ক-কর ২৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে। সাত সংগঠন মনে করে, কেবল আমদানি পর্যায়ে এসব পণ্যের শুঙ্ক-কর ২৫ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলে আমদানি বৃদ্ধি পাবে এবং রাজস্ব আয় বহুলাংশে বাড়বে। বন্ডেড পদ্ধতিতে কাগজ ও কাগজ বোর্ড খাতে বিদ্যমান অনিয়ম রোধ করে দেশের মুদ্রণ, প্রকাশনা, প্যাকেজিং ও ওষুধশিল্পের কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রো তারা এ দাবি করেছে। এ ছাড়া নির্ধারিত সময়ে পাঠ্যপুস্তক সরবরাহের লক্ষ্যে কার্যাদেশপ্রাপ্ত মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রয়োজনীয় মুদ্রণ কাগজ শূন্য শুল্কে আমদানির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) সহসভাপতি আমিন হেলালী, বাংলাদেশ পেপার মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক মোহাম্মদ বেলাল, বাংলাদেশ লোকাল কার্টন ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাসার পাটোয়ারী প্রমুখ।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন