বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নতুন বছরে তথা ২০২২ সালে বাজারে এ রকম গণর‌্যালি হওয়ার সম্ভাবনা কম। তবে আমি মনে করি, এ বছর ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর মূল্যবৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ আমরা দেখছি, করোনার ধাক্কা কাটিয়ে বড় বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবসায় স্বাভাবিক সময়ের অবস্থায় ফিরতে শুরু করেছে। ভালো ব্যবসা করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ক্ষেত্রে ব্যবসায় যারা বেশি ভালো করবে, শেয়ারের দামের উত্থানে তারাই এগিয়ে থাকতে পারে। ব্যবসা ভালো হলে মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর মুনাফার সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে। তাই আমার ধারণা, এ বছরটিতে ভালো মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলো দাপুটে অবস্থানে থাকবে। তাই নতুন বছরে শেয়ারবাজার থেকে ভালো মুনাফা করতে হলে বিনিয়োগকারীদেরও কোম্পানি বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।

গত বছর ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা ছিল। এ কারণে আমরা দেখেছি বিদেশি বিনিয়োগকারীরা ভালো মৌলভিত্তির অনেক কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করে দিয়েছেন। এ বছর তেমনটি হবে না বলে আমাদের ধারণা।

এ ছাড়া নতুন বছরে আমরা বাজারে বেশ কিছু ভালো কোম্পানি পাব বলে আশা রাখছি। আমরা দেখেছি, গত বছর বাজারে নতুন কোম্পানি আনার ক্ষেত্রে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বেশ তৎপর ছিল। ভালো কোম্পানি বাজারে আনার ক্ষেত্রেও আমরা বেশ কিছু উদ্যোগ দেখেছি। তাই আশা করছি, এ বছর সেসব উদ্যোগের সুফল পাওয়া যাবে। এ ছাড়া গত বছরের তুলনায় প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের ক্ষেত্রেও কিছু উন্নতি দেখা যেতে পারে। কারণ, বেশ কিছু আইনকানুন ও বিধিবিধান করা হয়েছে। এগুলোর পরিপালনের সুফল এ বছর কোম্পানিগুলোর ক্ষেত্রে দেখা যাবে।

গত বছর আমরা দেখেছি, বন্ড বাজার চাঙা করতে বেশ কিছু উদ্যোগ ছিল। নতুন নতুন অনেকগুলো বন্ড বাজারে ছাড়া হয়েছে। নতুন বছরে এসে সেসব বন্ডের অনেকগুলোই বাজারে তালিকাভুক্ত হবে। তাতে বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের নতুন একটি দুয়ার খুলবে। এ ছাড়া শেয়ারবাজারের কোম্পানিগুলোর দামের ওপর বেঁধে দেওয়া সর্বনিম্ন সীমা বা ফ্লোরপ্রাইস তুলে নেওয়া, স্বল্প মূলধনি কোম্পানির জন্য এসএমই বোর্ড চালু, মার্জিন ঋণের সুদহার নির্দিষ্ট করে দেওয়াসহ নানা ধরনের নীতি সিদ্ধান্তের সুফল নতুন বছর বাজারে মিলতে পারে।

মোহাম্মদ এমরান হাসান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, শান্তা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন