প্রথম আলো: মোটরসাইকেল উৎপাদনে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছি কি না।

হাফিজুর রহমান খান: আমরা বিশেষ করে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ তৈরিতে অনেক পিছিয়ে আছি। আমাদের দেশে মোটরসাইকেলের মূল কাঠামো বা চেসিস ও আর একটি যন্ত্রাংশ বানালেই একটি কোম্পানিকে উৎপাদনকারী হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু এখনো ৭০ শতাংশের বেশি যন্ত্রাংশ আমদানি করা হয়। এ আমদানিনির্ভরতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। তাই আমরা এখন যন্ত্রাংশ উৎপাদনের দিকে বেশি নজর দিচ্ছি।

প্রথম আলো: বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল উৎপাদন নিয়ে আপনাদের ভাবনা কী?

হাফিজুর রহমান খান: বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল নিয়ে আমাদের গবেষণা ও পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলছে। এ নিয়ে এখনো সরকারের নীতিমালা তৈরি হয়নি। তাই আমরাও বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে বিক্রি শুরু করতে পারছি না। তবে আমাদের প্রস্তুতি আছে। নীতিমালা হয়ে গেলে দ্রুতই পণ্যটি বাজারে নিয়ে আসতে পারব।

প্রথম আলো: কোন কোন দেশে রানারের মোটরসাইকেল রপ্তানি হচ্ছে?

হাফিজুর রহমান খান: ইতিমধ্যে নেপাল ও ভুটানে মোটরসাইকেল রপ্তানি করেছি। এ ছাড়া আফ্রিকার তিনটি দেশ ও শ্রীলঙ্কায় রপ্তানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের কারণে কয়েকটি দেশে রপ্তানি প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে আটকে আছে। আশা করছি, দ্রুত তা কেটে যাবে।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন