প্রথম আলো: মহামারির সময় বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা ভেঙে পড়েছিল। তাতে অনেক কোম্পানিই চাহিদা অনুযায়ী মোটরসাইকেল দিতে পারছিল না। সে অবস্থার উন্নতি হয়েছে কি?

সুব্রত রঞ্জন দাস: বিশ্বজুড়ে সেমিকন্ডাক্টরের স্বল্পতা, চীনে লকডাউনসহ বিভিন্ন কারণে গত বছর উন্নত স্পেসিফিকেশনে মোটরসাইকেলের স্বল্পতা ছিল। চলতি বছর এখনো এ সমস্যার সমাধান হয়নি।

প্রথম আলো: মোটরসাইকেলের উৎপাদন খরচ কেমন বেড়েছে?

সুব্রত রঞ্জন দাস: সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের বিনিময় মূল্য প্রায় ১৩ থেকে ১৫ শতাংশ বেড়েছে। এ ছাড়া জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধির কারণে আমাদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। এ জন্য মোটরসাইকেলের মূল্যবৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বাজারে মোটরসাইকেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখা। সে কারণে চলতি মাসে আমরা মাত্র আড়াই শতাংশ মূল্যবৃদ্ধি করেছি।

প্রথম আলো: এসিআই মোটরস নতুন কী মোটরসাইকেল নিয়ে আসছে বাজারে?

সুব্রত রঞ্জন দাস: আমরা ইতিমধ্যে বাজারে ব্লু-টুথ কানেকটিভিটি ও আপডেটেড সেফটি ফিচারসহ প্রিমিয়াম দুটি মডেলের মোটরসাইকেল এনেছি। সেগুলো হচ্ছে আর ফিফটিন ভি ফোর এবং এফজেডএক্স। এ ছাড়া খুব দ্রুতই ১৫০ সিসির আরও দুটি নতুন মডেলের মোটরসাইকেল নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছি।

প্রথম আলো: সামগ্রিকভাবে এসিআই মোটরসের ব্যবসার কী অবস্থা?

সুব্রত রঞ্জন দাস: আমাদের উন্নতমানের পণ্য, বিক্রয়–পরবর্তী সেবা ও সিআরএম (কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট) মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এ কারণে আমরা আমাদের প্রতিটি পণ্যে ভালো করছি। আমাদের সোনালিকা, ফোটন, ওয়াটার পাম্প, কনস্ট্রাকশন ইকুইপমেন্ট এবং ইয়ামাহার উল্লেখযোগ্য বাজার হিস্যা রয়েছে। বর্তমানে ইয়ামাহা মোটরসাইকেল বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ড। এ খাতে আমাদের প্রবৃদ্ধি চলতি বছর ৭০ শতাংশের বেশি।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন