বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিজিএমইএ এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ দুই রাজনীতিবিদের সঙ্গে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ, শুল্কব্যবস্থায় সম্ভাব্য পরিবর্তন এবং এলডিসি-পরবর্তী যুগে কীভাবে বাংলাদেশ যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশাধিকার ধরে রাখতে পারে, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

বিজিএমইএর সভাপতি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশে বেশি মূল্য সংযোজিত পণ্য এবং কৃত্রিম তন্তুর কাপড় উৎপাদনের মতো সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করার ব্যাপারে ব্রিটিশ সাংসদদের সহযোগিতা চান।

যুক্তরাজ্যের বাজারে গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৩৮৫ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়। পরের বছর করোনাকালে সেটি কমে ৩১৭ কোটি ডলার হয়। সর্বশেষ ২০২০-২১ অর্থবছরে আবার পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং ৩৪৪ কোটি ডলারে ওঠে। যুক্তরাজ্যের বাজারে দীর্ঘদিন ধরে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে বাংলাদেশ। ব্রেক্সিটের পরও যুক্তরাজ্যের বাজারে সেটি বজায় আছে। তবে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের পর সুবিধাটি আর থাকবে না।

মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন