লক্ষ্য ঠিক করে এগোতে হবে

আবুল কাসেম খান, চেয়ারম্যান, বিল্ড

দুই দিনের এই আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের একটা ব্র্যান্ডিং হয়েছে। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় এবারের বিনিয়োগ সম্মেলনকে বেশি পরিকল্পিত মনে হচ্ছে। কারণ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সামনে সুনির্দিষ্ট করে ১১টি খাত তুলে ধরা হয়েছে। এসব খাতে বিনিয়োগের অফুরন্ত সুযোগ থাকার বিষয়টি বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ নিয়ে এই ব্র্যান্ডিং থামানো যাবে না। অব্যাহত রাখতে হবে। বাংলাদেশে মোটা দাগে বিনিয়োগ আসে জাপান, হংকং, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলো থেকে। তাই ভবিষ্যতে বিনিয়োগ সম্মেলন এসব দেশে করতে পারলে ভালো সুফল মিলতে পারে।

তবে দেশে বিনিয়োগের যে পরিবেশ, সেখানে অবশ্যই সংস্কার আনা জরুরি। এখানে সুন্দর সুন্দর নীতিকৌশল আছে। কিন্তু সমস্যা হলো প্রকল্প বাস্তবায়নে। এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া। এ ছাড়া এ দেশের উচ্চ শুল্কহার ও অগ্রিম করের কারণে অনেক বিনিয়োগকারী আসতে চান না। বিশ্বের কোথায় অগ্রিম কর আছে, আমার জানা নেই।
আমরা জানি সমস্যা কোথায়। কিন্তু সমস্যার সমাধান হচ্ছে কম। তাই খুব ধীর গতিতে এগোচ্ছি। সে জন্য লক্ষ্য ঠিক করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি অংশগ্রহণে একটি সংস্কার কমিটি গঠন করা উচিত। তাদের নির্দিষ্ট একটি সময় দিতে হবে। টার্গেট (লক্ষ্য) করে সমস্যার সমাধান করতে হবে।

ভিয়েতনাম প্রতিবছর গড়ে দেড় হাজার কোটি ডলার বিদেশি বিনিয়োগ পাচ্ছে। এর মূল কারণ, দেশটির বন্দর ও শুল্ক সুবিধাসহ যেকোনো প্রক্রিয়াই সহজ। বাংলাদেশে এখন যেসব বিদেশি কোম্পানি ব্যবসা করছে, ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে তাদের কাজে লাগানো যেতে পারে।