বিজ্ঞাপন
সমীক্ষায় আরও বলা হয়, করোনাকালে ৭৯ শতাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। ৬৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠান আংশিকভাবে খোলা রাখতে সমর্থ হয়েছেন মালিকেরা। সার্বিকভাবে ২১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। গ্রামের চেয়ে শহরের প্রতিষ্ঠানই বেশি বন্ধ ছিল।

সমীক্ষায় বলা হয়, চাহিদা না থাকায় ৯৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের বিক্রি কমে যায়। আর ৯১ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের নগদ অর্থের প্রবাহ কমে যায়।

করোনা সংকট থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানে নগদ অর্থের সরবরাহ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে আইএফসি। বিশেষ করে নতুন ঋণ পাওয়ার সুবিধা নিশ্চিত করা দরকার। ভর্তুকি হারে সুদের হার নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়। কারণ, সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে মাত্র ২ শতাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, করোনার প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির পর তাঁরা সরকারের কাছ থেকে কিছু সহায়তা পেয়েছেন। সরকারি সহায়তা না পাওয়ার কারণ হিসেবে পর্যাপ্ত প্রচার-প্রচারণার অভাবকেই যুক্তি হিসেবে দেখিয়েছে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান।

সমীক্ষায় আরও বলা হয়, করোনাকালে ৭৯ শতাংশ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলা ছিল। ৬৭ শতাংশ প্রতিষ্ঠান আংশিকভাবে খোলা রাখতে সমর্থ হয়েছেন মালিকেরা। সার্বিকভাবে ২১ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সাময়িকভাবে বন্ধ ছিল। গ্রামের চেয়ে শহরের প্রতিষ্ঠানই বেশি বন্ধ ছিল। তবে জরিপে অংশ নেওয়া পোশাক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩৭ শতাংশ বন্ধ রাখা হয়।

করোনার কারণে বিক্রি কমে যাওয়ার কারণে কর্মীদের কর্মঘণ্টা কমাতে বাধ্য হন মালিকেরা। এমন চিত্র উঠে এসেছে আইএফসির ওই সমীক্ষায়। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান অন্তত একজন কর্মীর কর্মঘণ্টা কমিয়েছে। সার্বিকভাবে ১২ শতাংশ স্থায়ী কিংবা অস্থায়ী কর্মীর কর্মঘণ্টা কমেছে।

কোভিড ১৯ বাংলাদেশের ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবীদের ওপর বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এই সংকট কাটাতে অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিতে হবে।
বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন

তাহলে সামনের দিনগুলো কেমন কাটবে? এমন প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হয় জরিপে। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া উত্তরদাতারা আগামী ছয় মাস নিয়ে আশাবাদী হতে পারেননি। তাঁরা জানিয়েছেন, বিক্রি ও কর্মসংস্থান কোনোটিই আগের চেয়ে বাড়বে না, বরং কমবে। এমন অবস্থায় বিনিয়োগকারীরা আস্থা হারিয়ে ফেলার শঙ্কা আছে।
করোনা সংকটে ৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠান নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য টিকিয়ে রাখতে নতুন সামাজিক মাধ্যম, অ্যাপসসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করেছে।

আইএফসি পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, কোভিড ১৯ বাংলাদেশের ছোট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমজীবীদের ওপর বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এই সংকট কাটাতে অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিতে হবে। বিশেষ করে নিশ্চিত করতে হবে তাদের ঋণপ্রাপ্তি।

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন