নেস্‌লে জানায়, শিশুখাদ্য উৎপাদনে এটি বিশ্বে তাদের এ ধরনের ৩৪টি অত্যাধুনিক প্ল্যান্টের একটি। বাংলাদেশে উন্নতমানের শিশুখাদ্য তৈরির ক্ষেত্রে নেস্‌লের এই নতুন প্ল্যান্টে সর্বশেষ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন যোগ করা হয়েছে। এই কারখানায় আমদানি করা কাঁচামালকে মোট চারটি ধাপে প্রক্রিয়াজাত করে শিশুখাদ্য তৈরি করা হয়।

নেস্‌লে বাংলাদেশের এমডি দীপাল আবেইউইক্রেমা বলেন, ‘শিশুর অপুষ্টি কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে বিশ্বে সবচেয়ে দ্রুত সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ, যা ইতিহাসে বিরল। পুষ্টি খাতে বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগ এবং নানাবিধ কার্যক্রমের জন্যই তা সম্ভব হয়েছে। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষের কাছে বিশ্বমানের পুষ্টিকর খাদ্যপণ্য পৌঁছে দেওয়া আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। বাংলাদেশের মানুষের প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণে তাদের সাহায্য করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেন, ‘নেস্‌লে বাংলাদেশ তাদের গাজীপুরের শ্রীপুর কারখানায় ইনফ্যান্ট ফর্মুলা প্রসেসিং, ফিলিং ও প্যাকেজিং প্ল্যান্ট চালু করায় আমি অত্যন্ত খুশি। আমি ২০১৯ সালের অক্টোবরে সুইজারল্যান্ডে নেস্‌লের সদর দপ্তর, কোনলফিঙ্গান ফ্যাক্টরি ও গবেষণাকেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। তখন নেস্‌লের নেতৃত্ব দানকারী দলের সঙ্গে বাংলাদেশে তাদের বিশ্বমানের কারখানা স্থাপনে বিনিয়োগের বিষয়ে আলোচনা করেছি। এটি আমার কাছে সন্তুষ্টির বিষয় যে নেস্‌লে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছে।’

নেস্‌লে জানায়, তারা বিশ্বে ১৫৩ বছরের বেশি এবং বাংলাদেশে ২৬ বছরের বেশি সময় ধরে সুস্বাদু, পুষ্টিকর ও উন্নতমানের খাবার পরিবেশন করে আসছে। ১৫০ কোটি টাকার নতুন এই বিনিয়োগ উন্নত পুষ্টিকর খাদ্যের পাশাপাশি এ দেশে কর্মসংস্থান, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি বয়ে আনবে।