বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এলডিসির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের স্থানীয় শিল্পায়নে জোর দিতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগকে আরও আকর্ষণীয় করতে হবে। তার জন্য আগে স্থানীয় শিল্পকে শক্তিশালী করা দরকার। সে জন্য এনবিআরকে করছাড় ও প্রণোদনা দিতে হবে। সরকার যে দিচ্ছে না, তা নয়। কিন্তু তৈরি পোশাক খাতের মতো সুযোগ-সুবিধা অন্যান্য সম্ভাবনাময় উদীয়মান শিল্প খাতে যুক্ত করা দরকার। ৩৮ বছর ধরে নার্সিং (পরিচর্যা) করার কারণে কিন্তু বিশ্বের মানচিত্রে একটি সুদৃঢ় স্থান করতে পেরেছে পোশাক খাত। এখন চামড়া, ওষুধ, তথ্যপ্রযুক্তি, পাট, সিরামিক, প্লাস্টিকের মতো সম্ভাবনাময় খাতেরও পরিচর্যা দরকার।

রপ্তানি আয় বাড়াতে পণ্য, বাজার ও রপ্তানি বহুমুখী করতে হবে। এই তিনটি নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। একটি আগে আরেকটি পরে করলে হবে না। আমাদের পণ্য রপ্তানির বড় অংশের গন্তব্যই যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ। রপ্তানির মাত্র ১১ শতাংশ যায় এশিয়ায় এবং ৪-৫ শতাংশ মধ্যপ্রাচ্যে। আফ্রিকায় সেভাবে রপ্তানি হয় না বললেই চলে। এসব বাজারে আমাদের ওষুধ, কৃষি প্রক্রিয়াজাতসহ অন্যান্য পণ্য রপ্তানির ভালো সুযোগ রয়েছে।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, যত দ্রুত সম্ভব সমুদ্র অর্থনীতির দিকে নজর দিতে হবে। আমাদের পণ্য পরিবহনের মাত্র ৩-৪ শতাংশ নৌপথনির্ভর। এ জায়গায় জোর দিলে পরিবেশদূষণের পাশাপাশি সড়কপথে যানজট কমে যাবে। আবার বিশাল সমুদ্রসীমা বিজয় করলেও আমরা তার খুব অল্প জায়গাতেই আমাদের জেলেরা যেতে পারেন। কারণ, অত ট্রলার বা জাহাজ আমাদের নেই। অথচ সেখানে ভারত ও মিয়ানমারের জেলেরা মাছ ধরে ব্যবসা করছেন। সরকার যদি স্বল্প সুদে ঋণ দেয়, তাহলে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করবেন। মাছ রপ্তানির বড় সুযোগটি ধরতে পারব।

আরেকটি কথা বলতে চাই, এনবিআরের অটোমেশনে জোর দেওয়া প্রয়োজন। যত দ্রুত করা যাবে, তত জালিয়াতি কমে আসবে। সরকারের রাজস্ব আয়ও বাড়বে।

রিজওয়ান রাহমান, সভাপতি, ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি

শিল্প থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন