বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিঠিতে বলা হয়েছে, কোম্পানি পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, আর্থিক অনিয়ম, বিমা পলিসি গ্রাহক ও বিমাকারীর স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডের তথ্য আইডিআরএর নজরে এসেছে। বিমা গ্রাহকদের অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। সব অনিয়মের তথ্য–প্রমাণ আইডিআরএর কাছে আছে।

বলা হয়েছে, হেমায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে তা নিজ ভোগ দখলে রেখে এবং মিথ্যা তথ্যসংবলিত সম্পদ বিবরণী দাখিলের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা করেছে। তাঁর বিদেশ গমনেও নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে হেমায়েত উল্লাহ আর ফারইস্ট লাইফের সিইও থাকছেন না। তবে এই অপসারণ আর্থিক অনিয়মের দায় থেকে তাঁকে অব্যাহতি দেবে না। তাঁর দায়িত্ব পালনকালীন সংঘটিত কোনো ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে উদ্ঘাটিত হলে, সে দায়ও তাঁর ওপর বর্তাবে। এসব কথাও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এখন সিইওর অব্যবহিত নিচের পদের কেউ ফারইস্ট লাইফে সিইওর দায়িত্ব পালন করবেন। আর তিন মাসের মধ্যে কোম্পানিটির নিয়মিত সিইও নিয়োগ দেবে পরিচালনা পর্ষদ।

এদিকে ১ সেপ্টেম্বর ফারইস্ট ইসলামী লাইফের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন ১০ জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বিএসইসি সেদিন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিল, বিনিয়োগকারী, পলিসি গ্রাহক ও সামগ্রিক পুঁজিবাজার রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ফারইস্ট লাইফ সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানিটির সদ্য অপসারিত চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের দুর্নীতির অন্যতম সহযোগী হিসেবে বিবেচনা করা হয় হেমায়েত উল্লাহকে। নজরুল ইসলাম স্বল্প সময়ের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আর দেশে ফিরছেন না।

বিমা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন