বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শেয়ার কেনার বিপরীতে ঋণসুবিধা প্রদানসংক্রান্ত ২০১০ সালের ১৫ জুনের এক নির্দেশনায় বলা হয়েছিল, যেসব কোম্পানির পিই রেশিও ৪০-এর ওপরে, সেসব কোম্পানির শেয়ার কেনার ক্রেতা বিনিয়োগকারীদের কোনো ঋণসুবিধা দিতে পারবে না ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। ২০১০ সালের সেই আদেশের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে গতকালের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এ নির্দেশনা মেনেছে কি না, তা–ও খতিয়ে দেখবে ডিএসই।

সম্প্রতি ঋণ অযোগ্য ও দুর্বল মৌলভিত্তির কিছু কোম্পানির শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে এখন এসে ওই সব কোম্পানির মূল্যবৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি। ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মধ্যে শতাধিক ঋণ অযোগ্য।

ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গতকাল ঢাকার বাজারে মূল্যবৃদ্ধির দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে ছিল সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল। গতকালও কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ১৯ টাকা বা প্রায় ১০ শতাংশ বেড়েছে। আর গত তিন মাসে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি। গত জুনেও কোম্পানিটির শেয়ারের দাম ছিল ৮৩ টাকার ঘরে।

গতকাল দিন শেষে সেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১৮ টাকা। অথচ কোম্পানিটির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রে ঋণসুবিধা বন্ধ। অর্থাৎ বিনিয়োগকারীদের কোম্পানিটির শেয়ার কিনতে হবে নগদ টাকায়। অতীতে দেখা গেছে, ঋণ অযোগ্য কোম্পানির শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক বিনিয়োগকারীকে ঋণসুবিধা দিয়েছে। তাতে ওই সব শেয়ারের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

এদিকে গতকালও শেয়ারবাজারে সূচকের বড় উত্থান হয়েছে। এতে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৫ পয়েন্ট বা পৌনে ১ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১৯৬ পয়েন্টে। আর বাছাই করা ৩০ কোম্পানির সমন্বয়ে গঠিত ডিএস-৩০ সূচক প্রায় ৩০ পয়েন্ট বা ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। শরিয়াভিত্তিক অপর সূচক ডিএসইএস বেড়েছে ২০ পয়েন্ট বা সোয়া ১ শতাংশের বেশি। এ তিন সূচকেই গতকাল রেকর্ড হয়েছে। সূচক তিনটি এখন যেখানে অবস্থান করছে, তাতে এখান থেকে বাড়লেই প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড হচ্ছে।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন