default-image

বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পদক্ষেপের পরও পতন ঠেকানো যাচ্ছে না এশিয়ার শেয়ারবাজারে। গতকাল রোববার করোনাভাইরাসের প্রভাব থেকে অর্থনীতিকে বাঁচাতে নীতিনির্ধারণী সুদের হার ১০০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিবিসি অনলাইনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

একই সঙ্গে এই বৈশ্বিক মহামারির প্রভাব থেকে অর্থনীতিকে রক্ষা করার জন্য ৭০০ বিলিয়ন ডলারের তহবিল গঠন করা হয়েছে। তবে এসব কিছুর পরও পতন ঠেকানো যাচ্ছে না পুঁজিবাজারে। কারণ, বিনিয়োগকারীরা এখন উদ্বিগ্ন এই ভেবে যে মহামারিটির প্রভাব মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কাছে আর কী বিকল্প বাকি রয়েছে।

এশিয়ায় লেনদেনের শুরুতেই জাপানের বেঞ্চমার্ক সূচক নিকেই ২২৫ কমেছে। হংকংয়ের হ্যাংসেং সূচক কমেছে ২ দশমিক ২ শতাংশ, চীনের সাংহাই কম্পোজিট সূচক কমেছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

এমনকি বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও মার্কিন ডলারের দামও কমেছে।

বিনিয়োগকারীরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো তাদের যা পদক্ষেপ নেওয়ার ছিল, তা নিয়ে নিয়েছে। মনে হয় না এগুলো খুব কাজে আসবে, কারণ, এই সমস্যা এখনো চলছে।

গতকাল যুক্তরাজ্য, জাপান, ইউরোজোন, কানাডা এবং সুইজারল্যান্ড করোনাভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয়। তারই অংশ হিসেবে পরে যুক্তরাষ্ট্র সুদের হার কমানোর পদক্ষেপ নেয়। এক সংবাদ সম্মেলনে ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যান জেরোমি পাওয়েল বলেন, বিশ্বব্যাপী এই মহামারি অর্থনীতিতে একটি ‘গভীর’ প্রভাব ফেলছে। ফেড নীতিনির্ধারণী সুদের হার নির্ধারণ করেছে ০ থেকে ০.২৫ শতাংশ।

বিজ্ঞাপন
শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন