বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করে শেয়ারের দাম বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। এতে গত দুই দিনেই কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের দাম ২ টাকা ৭০ পয়সা বা ২০ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ১০ পয়সায়। গত দুই দিনে ব্যাংকটির প্রায় সাড়ে ৮ কোটি শেয়ারের হাতবদল হয়, যার বাজারমূল্য ছিল প্রায় ১৩০ কোটি টাকা।

ডিএসইতে গতকাল লেনদেনের শুরুতেই ওয়ান ব্যাংকের শেয়ারের দাম ওঠে ১৬ টাকা ১০ পয়সায়। এটিই ছিল ব্যাংকটির শেয়ারের গতকালের সর্বোচ্চ বাজারমূল্য। লেনদেনের শুরুতে সর্বোচ্চ দামে ওঠার পর সেটি আর কমেনি। একপর্যায়ে এটির শেয়ারের বিপুলসংখ্যক ক্রয়াদেশ দেখা গেলেও লেনদেন যন্ত্রে বিক্রয়াদেশ বা বিক্রেতা খুব বেশি ছিল না। এ কারণে মনিটরে শেয়ারটি লেনদেনের প্রায় পুরোটা সময়জুড়ে বিক্রেতাশূন্য অবস্থায় দেখা যায়। তবে সর্বোচ্চ দামে শেয়ারের হাতবদল হয়। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে গতকাল ঢাকার বাজারে ওয়ান ব্যাংকের প্রায় ৮৬ কোটি টাকার লেনদেন হয়।

বাজারসংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেশ কয়েক দিন ধরে বাজারে ব্যাংকের শেয়ারে বেশ চাঙাভাব রয়েছে। গত মঙ্গলবার থেকে এ খাতের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের বেশ আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীদের এ আগ্রহকে কাজে লাগিয়ে কারসাজিকারকেরাও কারসাজির মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের শেয়ারের দাম বাড়াচ্ছে।

এদিকে ব্যাংকের শেয়ারের দাপটে গতকাল শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া অন্যান্য খাতের বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমেছে। গতকাল ডিএসইতে ৩৫৯ কোম্পানির শেয়ারের হাতবদল হয়। তার মধ্যে ২৩০ টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ১১৪ টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৫ টির দাম। বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতনের পরও ব্যাংক ও ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধি পাওয়ায় সূচকে খুব বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়েনি। উল্টো বেড়েছে লেনদেন।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন