বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জানতে চাইলে বেসরকারি ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের অধ্যাপক মোহাম্মদ মুসা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের শেয়ারের দাম ও লেনদেন বাড়লে সে শেয়ারের প্রতি ঝোঁকার একটা প্রবণতা রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের এ প্রবণতাকে কাজে লাগিয়ে একটি চক্র অনেক সময় নিজেদের মধ্যে শেয়ারের হাতবদল করে দাম ও লেনদেন বাড়ায়। ফলে দেখা যায় অনেক সময় ভালো কোম্পানির শেয়ার অবমূল্যায়িত থাকছে, আর কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম অযৌক্তিকভাবে বাড়ছে। এটি সার্বিকভাবে বাজারের জন্য কখনোই মঙ্গলজনক নয়।’

ডিএসইতে গতকাল এককভাবে লেনদেনের শীর্ষে ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। এদিন কোম্পানিটির প্রায় ১০৫ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ারের হাতবদল হয়। দিন শেষে প্রতিটির দাম প্রায় ৩ টাকা বা ২ শতাংশ কমেছে। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল বিএসসি। এদিন কোম্পানিটির প্রায় ৮১ কোটি টাকার শেয়ারের হাতবদল হয়। এ ছাড়া ডেল্টা লাইফের ৬০ কোটি টাকার, লাফার্জহোলসিমের ৫৫ কোটি টাকার এবং পাওয়ার গ্রিডের ৪৯ কোটি টাকার শেয়ারের হাতবদল হয়েছে। সম্মিলিতভাবে এই পাঁচ কোম্পানির লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৩৫০ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় ২৪ শতাংশ। ঢাকার বাজারে গতকাল ১ হাজার ৪৬১ কোটি টাকার লেনদেন হয়।

এদিকে নতুন বছরের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুটা হয়েছে দরপতন দিয়ে। এ কারণে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সাত হাজারের মাইলফলক ছাড়াতে পারেনি। যদিও নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহটি ভালো কেটেছিল। সূচক ও লেনদেন বেড়েছিল গত সপ্তাহে। আর চলতি সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে এসে মূল্য সংশোধন হয়েছে। গতকাল ডিএসইএক্স সূচকটি ৫৫ পয়েন্ট বা পৌনে ১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৯৩৩ পয়েন্টে। যদিও দিনের শুরুটা হয়েছিল সূচকের উত্থান দিয়ে। তাতে একপর্যায়ে ডিএসইএক্স সূচকটি সাত হাজারের মাইলফলক অতিক্রম করে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা স্থায়ী হয়নি। সূচকের পাশাপাশি লেনদেনও কমেছে।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ব্যাংক ও আর্থিক খাতের শেয়ারের মূল্য সংশোধনের কারণেই মূলত সূচক কমেছে গতকাল।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন