বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দেশের শেয়ারবাজারে লেনদেন চলে সকাল ১০টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত। সকালে সূচকের উত্থান দিয়ে লেনদেন শুরু হলেও পতন শুরু হয় সাড়ে ১০টার পর। আর ১১টার দিকে দ্রুত কমতে থাকে সূচক। ততক্ষণে ইউক্রেনে হামলার খবরটি ছড়িয়ে পড়ে।
বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বাজারে দ্রুত সূচকের পতন ঘটতে থাকে। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির চাপ বেড়ে গেছে।

একাধিক ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার ঘটনায় বিশ্বের বড় বড় শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারেও তার প্রভাব পড়েছে।

শেয়ারবাজারে লেনদেনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত শীর্ষস্থানীয় একাধিক ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বড় ধরনের আতঙ্ক ভর করেছে। এ কারণে বিক্রির চাপ বেড়েছে। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার ঘটনায় বিশ্বের বড় বড় শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের দরপতন হয়েছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে ১০০ মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোও নানা ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে। ফলে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে একধরনের শঙ্কা ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বজুড়ে। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারেও তার প্রভাব পড়েছে।

এমনিতেই কয়েক দিন ধরে বাজারে মন্দাভাব ছিল। তাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থায়ও কিছু চিড় ধরে। এর মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিনিয়োগকারীরা।

দেশের শেয়ারবাজারের শীর্ষস্থানীয় তিনটি ব্রোকারেজ হাউস ও একটি মার্চেন্ট ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীর সঙ্গে বাজার পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তাঁরা জানান, এমনিতেই কয়েক দিন ধরে বাজারে মন্দাভাব ছিল। তাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থায়ও কিছু চিড় ধরে। এর মধ্যে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বিনিয়োগকারীরা। এতে বাজারে বড় ধরনের দরপতন দেখা দিয়েছে।

বেলা দেড়টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৭৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮৮ শতাংশ বা ৩৩২টিরই দরপতন ঘটেছে। দাম বেড়েছে মাত্র ২৫টি প্রতিষ্ঠানের আর বাকি ২০টি প্রতিষ্ঠানের দাম অপরিবর্তিত ছিল।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন