পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক থাকছে না তাহলে

বিজ্ঞাপন
default-image

দাম বাড়ার প্রবণতা দেখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় চলতি মাসের শুরুর দিকেই জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি পাঠিয়ে পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছিল। কিন্তু এনবিআর তখন অনুরোধ রাখতে চায়নি। ১৪ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে তা নাকচ করে দেয়। এখন পেঁয়াজ আমদানিতে ৫ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হয়।
কিন্তু এর মধ্যেই পরিস্থিতির বদল হয়ে গেছে। ভারত হঠাৎ পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে এই ভারত থেকেই। এক বছর আগে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করায় এর দর সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা উঠেছিল।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এবার আবারও ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। আর তাতেই পেঁয়াজের বাজারে যেন আগুন লেগে গেছে। ভোক্তাদের এখন পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে দ্বিগুণ দরে। এরই মধ্যে শতক হাঁকিয়েছে দেশি পেঁয়াজ। এ পরিস্থিতিতে আবারও পেঁয়াজের আমদানি শুল্ক প্রত্যাহারের জন্য আরেকবার অনুরোধ জানাবেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। আজ বুধবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
আজই ছিল ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক। সচিবালয়ে এই বৈঠকে পেঁয়াজ আমদানির শুল্ক নিয়ে প্রশ্ন করা হয় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালকে। তিনি এ সময় সাংবাদিকদের জানান, পেঁয়াজ আমদানিতে বিদ্যমান ৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হোক, তা আমরা চাই না। পেঁয়াজের ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক তাই প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করব।’

‘মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হোক, তা আমরা চাই না। পেঁয়াজের ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক তাই প্রত্যাহারের বিষয়টি বিবেচনা করব।’
আ হ ম মুস্তফা কামাল, অর্থমন্ত্রী
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিত্যপণ্য থেকে সরকারের শুল্ক আদায় করার কোনো উদ্দেশ্য নেই জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আমদানি শুল্কের কারণে কোনো পণ্যের দাম বেড়ে গেলে সাধারণত মন্ত্রণালয়কে দায়ী করা হয়।
অর্থমন্ত্রী এবার আর সেই দায় নিতে চান না।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন