default-image

দেশের দুই শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু করেছে চতুর্থ প্রজন্মের এনআরবি কমার্শিয়াল (এনআরবিসি) ব্যাংক। আজ সোমবার থেকে লেনদেন শুরু করেছে ব্যাংকটি। চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকের মধ্যে এটিই প্রথম শেয়ারবাজারে যুক্ত হলো। সেই সঙ্গে ১২ বছর পর দেশের শেয়ারবাজারে নতুন একটি ব্যাংক তালিকাভুক্ত হলো।

এনআরবিসি ব্যাংক প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিওতে ১২ কোটি শেয়ার ছেড়ে ১২০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে। আইপিওতে প্রতিটি শেয়ার বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্য বা ফেসভ্যালুতে বিক্রি করা হয়। ব্যাংকটি জানিয়েছে, আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের মধ্যে ১১০ কোটি টাকা সরকারি বিভিন্ন সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ করা হবে। ৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে শেয়ারবাজারে।

সম্প্রতি যেসব কোম্পানি আইপিও লেনদেন শুরু করে, প্রত্যেকটিরই প্রথম দিনেই ব্যাপক দরবৃদ্ধি হয়। তবে সে তুলনায় পতনের বাজারে এনআরবিসির অতটা দর বৃদ্ধি পায়নি। লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টায় শেয়ারটির দর বেড়েছে ৩ টাকা ৩০ পয়সা বা ৩৩ শতাংশ। কোম্পানিটি ২০ হাজার ৬৪৬ বারে ২ কোটি ৮০ লাখ ৬৬৬টি শেয়ার লেনদেন করেছে।

বিজ্ঞাপন

অবশ্য সার্কিট ব্রেকারের নতুন নিয়ম অনুসারে লেনদেনের প্রথম দিন থেকেই সার্কিট ব্রেকার চালু রয়েছে এনআরবিসি ব্যাংকের শেয়ারে। তাই লেনদেন শুরুর প্রথম দিনে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম আইপিওর অফার মূল্যের সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারবে। একইভাবে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারবে, এর বেশি নয়।

তালিকাভুক্তির আগে গতকাল ডিএসইতে অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এনআরবিসি ব্যাংক। আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর-এ তিন মাসে ব্যাংকটি কর-পরবর্তী ১০৪ কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে। তাতে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৭৯ পয়সা। তবে আইপিওর ১২ কোটি শেয়ারকে বিবেচনায় নেওয়ার পর শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়ায় প্রায় ১ টাকা ৪৯ পয়সায়।

নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানি হিসেবে এনআরবিসি ব্যাংক ‘এ’ শ্রেণিভুক্ত হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম ৩০ কার্যদিবস লেনদেনে এ ব্যাংকের শেয়ার কেনায় ঋণসুবিধা মিলবে না।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন