বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিএসইসির পক্ষ থেকে ফুয়াং ফুডসে নতুন যে পাঁচজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) প্রধান অর্থ কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইশরাত হোসেন, অবসরোত্তর ছুটিতে থাকা সরকারের অতিরিক্ত সচিব অজিত কুমার পাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া ও সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ সালাউদ্দিন চৌধুরী এবং ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশের (আইসিএসবি) সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ সানাউল্লাহ। নতুন করে পাঁচজন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেওয়ায় কোম্পানিটিতে স্বতন্ত্র পরিচালকদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে।

বিএসইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে শেয়ার রয়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। সাধারণ বিনিয়োগকারীর হাতে রয়েছে প্রায় ৭২ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে। আইন অনুযায়ী, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে সম্মিলিতভাবে সব সময় ৩০ শতাংশ শেয়ার থাকা বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া কোম্পানির পরিচালকদের হাতে এককভাবে ২ শতাংশ শেয়ার থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু এ আইন পরিপালনে ব্যর্থ হয়েছে ফুয়াং ফুড।

২০১০ সালে শেয়ারবাজার ধসের পর ২০১১ সালে ন্যূনতম শেয়ারধারণ–সংক্রান্ত আইনটি করা হয়। আইন করা হলেও সেটির পরিপালনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ কারণে আইনটি করার পর তালিকাভুক্ত হওয়া অনেক কোম্পানি ন্যূনতম শেয়ারধারণের শর্ত মানেনি। আবার অনেক পরিচালক হাতে থাকা সব শেয়ার ঘোষণা ছাড়াই বিক্রি করে দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে গত মে মাসে বিএসইসির পুনর্গঠিত কমিশন ন্যূনতম শেয়ারধারণ–সংক্রান্ত আইনটি পরিপালনে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। তারই অংশ হিসেবে সম্মিলিতভাবে ৩০ শতাংশ শেয়ারধারণে ব্যর্থ ৪৪ কোম্পানিকে আইন পরিপালনের জন্য ৬০ দিন সময় বেঁধে দিয়ে গত ২৯ জুলাই চিঠি দেয় বিএসইসি। এরপরও যেসব কোম্পানি ন্যূনতম শেয়ার ধারণে ব্যর্থ হয়েছে, একে একে সেসব কোম্পানির পর্ষদ পুনর্গঠন করেছে বিএসইসি। সর্বশেষ গতকাল ফুয়াং ফুডের পর্ষদ পুনর্গঠন করা হয়।

বিএসইসির এ–সংক্রান্ত চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকেরা যে শেয়ার ধারণ করছে, তা বিএসইসির পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ব্লক থাকবে। অর্থাৎ বিএসইসির অনুমোদন ছাড়া কোম্পানিটির উদ্যোক্তা পরিচালকেরা এ শেয়ার বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারবে না। এ ছাড়া কোম্পানির স্থায়ী আমানতসহ কোনো সম্পদ বিক্রি, হস্তান্তর, বন্ধক, স্থানান্তর করা যাবে না।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন