বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত দুই দিনে বিএসইসি যেসব ব্যবস্থা নিয়েছে, তার কারণে ব্রোকারেজ হাউসগুলো লেনদেনে সতর্ক হয়েছে। বিশেষ করে বিক্রির ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করছে। আবার বিএসইসি ব্যবস্থা নিতে পারে—এ ভয়ে অনেকে বিনিয়োগকারীদেরও বড় অঙ্কের শেয়ার বিক্রিতে নিরুৎসাহিত করছে। উল্টো শেয়ার কেনায় আগ্রহী হয়েছেন অনেকে।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, শেয়ারবাজারে কমবেশি সব সময় নানা ধরনের কারসাজির ঘটনা ঘটে। এসব কারসাজির কারণেই বাজারে কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ হঠাৎ বড় ধরনের উত্থান-পতন দেখা যায়। সব সময় যদি নিয়ন্ত্রক সংস্থা সব ধরনের কারসাজির বিষয়ে কঠোর হয়, তাহলে বাজারে কারসাজির প্রবণতা কমে আসবে। সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও বাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আস্থা ফিরে পাবেন। কিন্তু বিএসইসি যখনই কারসাজির ঘটনা জেনেও চুপচাপ থাকে, তখনই বাজারের ওপর থেকে আস্থা কমতে থাকে বিনিয়োগকারীদের।

এদিকে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে গত দুই দিনে লেনদেনের ক্ষেত্রেও বেশ গতি দেখা যায় বাজারে। আজ বুধবার ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬০৬ কোটি টাকা। সোমবার এই লেনদেন নেমে গিয়েছিল ৩৯০ কোটি টাকায়। আজ ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৭৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬৯টি বা ৭১ শতাংশেরই দাম বেড়েছে। কমেছে ৭৮ টির বা ২১ শতাংশের। আর অপরিবর্তিত ছিল ৩২টির বা ৮ শতাংশের দাম।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন