বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের জন্য গঠিত ২০০ কোটি টাকার বিশেষ তহবিলের পুরোটাই সুকুক বন্ডে বিনিয়োগ করা যাবে। তবে এই সুকুকের ন্যূনতম ৭০ শতাংশ সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুশক্তি চালিত বিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ, বায়োমাসসহ বিভিন্ন নবায়নযোগ্য শক্তি প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে হবে। তবে এসব সুকুক আবেদনের শেষ দিন থেকে এক বছরের মধ্যে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করতে হবে।

ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগে গঠিত সুকুকের তহবিল ব্যবহারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ অর্থ জমা দিয়ে ঋণপত্র (এলসি) খোলা ও পণ্য ১২০ দিনের মধ্যে জাহাজীকরণ বা সরবরাহের শর্ত পালন, সব স্থানীয় ব্যয় ৬ মাসের মধ্যে পরিশোধ এবং প্রকল্প উন্নয়নে সর্বোচ্চ ৮ মাস সময় বরাদ্দ করা।

অন্য শর্তগুলো হচ্ছে—সুকুকের তহবিল বিশেষ উদ্দেশ্যে গঠিত ব্যাংক হিসাবে রাখা, নির্ধারিত ব্যয় ব্যতীত অন্য খাতে কোনো টাকা খরচ না করা। এ ছাড়া কোনো ব্যাংক সুকুকের মোট আকারের ১০ শতাংশের বেশি বিনিয়োগ করতে পারবে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ঋণ নিয়ে ব্যবসা করলেও অনেকে সময়মতো টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এ জন্য সুকুক ছেড়ে টাকা তোলার সুযোগ দিয়েছে সরকার। টাকা তোলার এমন ধারণা প্রথম হওয়ায় ব্যাংকগুলোর বিশেষ তহবিলের পুরোটাই সুকুকে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। পরে আর এই সুযোগ দেওয়া হবে না।

বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো বেক্সিমকো গ্রুপ সুকুক বন্ড ছেড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা তোলার অনুমোদন পেয়েছে। এই ৩ হাজার কোটি টাকার মধ্যে অর্ধেক বা ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা প্রাইভেট প্লেসমেন্টের মাধ্যমে তোলা হবে। ৭৫০ কোটি টাকা বা ২৫ শতাংশ পাবেন বেক্সিমকো লিমিটেডের বর্তমান শেয়ারহোল্ডাররা। বাকি ৭৫০ কোটি টাকা বা ২৫ শতাংশ শেয়ারবাজারে বিক্রি করে তোলা হবে।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন