বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম কমলেও, ব্যাংকের শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে সূচকের বড় ধরনের পতন ঘটেনি। উল্টো বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। ঢাকার বাজারে লেনদেনের শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ৭টিই ছিল ব্যাংক। এ ৭ ব্যাংকের সম্মিলিত লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৪৬৯ কোটি টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার থেকেই শেয়ারবাজারে ব্যাংকের শেয়ারের দাপট শুরু হয়েছে। কারণ হিসেবে তাঁরা বলছেন, শেয়ারের বিপরীতে ঋণের ক্ষেত্রে নতুন বিধান করা। শেয়ারের বিপরীতে ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে গত সোমবার নতুন বিধান চালু করেছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। নতুন বিধান অনুযায়ী, যেসব শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৪০-এর কম, সেসব শেয়ারে এখন থেকে ১০০ টাকার বিপরীতে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা (১: ০.৮) ঋণসুবিধা পাবেন বিনিয়োগকারীরা। আগে সর্বোচ্চ ঋণসুবিধার বিষয়টি সূচকের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। ঢাকার বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স সর্বোচ্চ ৮ হাজারে না পৌঁছানো পর্যন্ত সর্বোচ্চ হারে ঋণসুবিধা দেওয়ার বিধান ছিল আগে। সেই বিধান পরিবর্তন করে পিই রেশিওর সঙ্গে সম্পৃক্ত করে সর্বোচ্চ ঋণসুবিধার বিধান করা হয়। এর পর থেকে ব্যাংক খাতের প্রতি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়ে যায়। কারণ, ব্যাংক খাতের বেশির ভাগ শেয়ারেরই পিই রেশিও ৪০-এর নিচে রয়েছে।

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে রোববার ডিএসইতে ৩৫৯ কোম্পানির শেয়ারের হাতবদল হয়। এর মধ্যে ২৩০টিরই দাম কমেছে, বেড়েছে ১১৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১৫টির দাম। ব্যাংক ও আর্থিক খাত ছাড়া অন্যান্য খাতের বেশির ভাগ শেয়ারেরই দরপতন ঘটেছে। ঢাকার বাজারে এদিন লেনদেন হওয়া ৩২ ব্যাংকের মধ্যে ২৭টিরই দাম বেড়েছে, কমেছে ৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল ১টির দাম। ঢাকার বাজারে আজ মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানির মধ্যে ৮টিই ছিল ব্যাংক ও আর্থিক খাতের কোম্পানি।

শেয়ারবাজার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন